আমাদের ভারত, ২৯ মে: ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গের ভোট পর্ব মিটলো। দু’ দফার ভোটের পর এবার ভোট গোনার পালা। আমজনতার রায় কোন দিকে গেছে? প্রত্যাবর্তন হবে, নাকি পরিবর্তন? গেরুয়া ঝড় উঠবে, নাকি সবুজ বিপ্লব চালু থাকবে? ভোটাররা কোন দিকে গিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছে? সে উত্তর আপাতত ইভিএমে বন্দী, কিন্তু তার আগে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের একাধিক মিডিয়া।
৪মে ফল বের হবে, যে দলই জিতুক সেদিন পরিবর্তন হোক বা প্রত্যাবর্তন, ২৬- এর ভোট এক নজির বিহীন ভোট। এক ঐতিহাসিক ভোট। ২৬- এর ভোটে মানুষের বিপুল অংশগ্রহণে রেকর্ড ভোট দান বলে দিয়েছে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনেকেই ১০ এ ১০ দিয়েছে। কেউ কেউ আবার যদিও উল্টো কথা বলেছে। অনেকেই বলেছেন মানুষের ভোটে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।
ভোট পর্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে এক্সিট পোলের কাটা ছেঁড়া। চাণক্য স্ট্রাটেজি এক্সিট পোলে বিজেপি পাচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০টি আসন, তৃণমূল ১৩০ থেকে ১৪০, কংগ্রেস দুই থেকে চার অন্যান্যরা চার থেকে ছয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে মোট আসন ২৯৪। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১৪৮টি আসন লাগবে। চাণক্যর বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টি ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে চলেছে। সেখানে তৃণমূলের ভোট ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ। কংগ্রেস তিন থেকে ছয় শতাংশ, আর অন্যান্যরা পাবে আট থেকে দশ শতাংশ ভোট।
অন্যদিকে টাইমস নাও জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে চলেছে ১২৮ থেকে ১৬৯টি আসন, তৃণমূল ১৩১ থেকে ১৫২, কংগ্রেস পেতে পারে দুটি আসন।
আবার পিপল পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পাবে ৯৫ থেকে ১১০, তৃণমূল পাবে ১৭৭ থেকে ১৮৭, কংগ্রেস পাবে এক থেকে তিন, বামেরা পাবে একটি, অন্যান্যরা এক থেকে তিনটি।
প্রজা এক্সিট পোল অনুযায়ী বিজেপি পাবে ১৭৮ থেকে ২০১, তৃণমূল ৮৫ থেকে ১১০, অন্যান্যরা পাবে পাঁচটি।
জনমত এক্সিট পোল অনুযায়ী বিজেপি ভাবে ৮০-৯০টি, তৃণমূল ১৯৫ থেকে ২০৫, কংগ্রেস এক থেকে তিন, বামেরা এক ও অন্যান্যরা ৩ থেকে ৫।

