আমাদের ভারত, মালদা, ২ জুন: বেনারসের কাশিতে কাজ করতে গিয়ে মৃত মালদার কালিয়াচকের শেরশাহীর বাসিন্দা আমিনুল মমিনের পরিবারের হাতে দু লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বুধবার দুপুরে শেরশাহী এলাকায় একটি মাদ্রাসাতে তিনি মৃতদের পরিবার ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের সাথে দেখা করেন। তাদের পরিবার পিছু দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
এদিন দুপুরে ফারাক্কাতে হেলিকপ্টারে পৌঁছান। সেখান থেকে মন্ত্রী সোজা চলে আসেন শেরশাহীতে সেখানেই এই চেক তুলে দেন। এরপর উত্তরপ্রদেশ সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, অন্তত মৃতদেহটা মালদায় পাঠিয়েছে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেয়নি। আমরা তাদের কাছে কৃতঞ্জ। ওদের সরকারের পাশে দাঁড়ায় না। আমি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এসেছি এবং এদের যা সরকারি আর্থিক সহায়তা করার করেছি। আমাদের কর্তব্য আমরা করেছি।

প্রসঙ্গত, মালদার শেরশাহী এলাকার এই শ্রমিকরা একটি বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির নির্মাণ কাজে যুক্ত ছিলেন। সেখানেই পাশে একটি বাড়িতে তারা রাতে থাকতেন। সেই সময় চাঙড় খসে পড়ে দুজনের মৃত্যু হয় আহত হয় বাকি ৬ জন। স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর আহত ও নিহতদের বুধবার ভোর বেলা মালদায় নিয়ে পৌঁছায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে। এর পরই নিহতদের সমাধিস্থ করা হয় গ্রামে।

এরপর তিনি মালদার সুজাপুরে একটি কোভিড হাসপাতালের উদ্বোধন করেন। আবার হেলিকপ্টারে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এদিন গোটা কালিয়াচক এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আহত ও নিহতদের পরিবার আর্থিক সাহায্য পেয়ে খুশি।

