আমাদের ভারত, নন্দীগ্রাম, ১ এপ্রিল:
‘বুথে ছাপ্পা ভোট চলছে’ এই খবর পাওয়ার পরেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ালের বুথের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কমিশনকে একহাত নেন তিনি। পাশাপাশি সুর চড়িয়ে বলেন, “নন্দীগ্রামে আমি জিতবই।”
বৃহস্পতিবার বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের একাধিক জায়গায় বোমাবাজি সহ বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনার খবর আসতে থাকে। নন্দীগ্রামের বয়াল ২ অঞ্চলের ১৪ নং বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রামের ২৪৮ নং বুথে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই খবর পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই এলাকায় যান। তাঁকে বলা হয় ওই এলাকায় সাত নম্বর বুথে ভোটারদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এরপর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুইলচেয়ারে করে নিজে সেই বুথে চলে যান। সেখান থেকেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে মোবাইলে ফোন করেন।
এরপরেই পালটা টুইট করে রাজ্যপাল জানান রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা যথাযথ থাকবে। পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকেও চিঠি দিয়ে তাঁর অভিযোগ জানান।
বৃহস্পতিবার বয়ালের বুথে যাওয়ার পরেই এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে দীর্ঘক্ষণ ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুথের মধ্যে বসে থাকতে হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সেই বুথ থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন, এলাকা থেকে খবর পেয়েছিলাম বুধবার রাত থেকেই গুন্ডামী শুরু করেছে বিজেপির প্রার্থী। ফলে ভোটাররা ভোট দিতে পারছিলেন না। আমরা ইতিমধ্যেই ৬৩ টি অভিযোগ কমিশনে জানিয়েছি। অবশ্য নন্দীগ্রামের ফল কি হবে তা নিয়ে চিন্তিত নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমি নন্দীগ্রাম নিয়ে চিন্তিত নই । আমি চিন্তিত গণতন্ত্র নিয়ে। নন্দীগ্রামে আমি জিতবই।’

