নন্দীগ্রামের শহিদ স্মরণ সভায় গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহ তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

আমাদের ভারত: নন্দীগ্রাম, ১০ নভেম্বর : শহিদ মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠে শুভেন্দু অধিকারী চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতাদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি পরাজিত করেছেন সে কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতকে ভুলতে পারেন কিন্তু তিনি ভোলেননি, নন্দীগ্রামের মানুষ ভোলেনি। তিনি এরপর বলে, তৃণমূল সম্বন্ধ্যে তিনি মঞ্চ থেকে বেশি কথা বলবেন না। তিনি এরপরই জমি আন্দোলনে নন্দীগ্রামের শহিদদের নাম বলে বলে তাদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শহিদদের পরিবার তার সঙ্গেই আছেন। তার মঞ্চের পাশেই বসে আছেন।

আজ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামের সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তি। সেই বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর করপল্লীতে শহিদ স্মরণসভায় গিয়ে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথাগুলি বলেছেন। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পিসি ভাইপো আজ যে ক’জন কর্মীচারীকে পাঠিয়েছিল তারা নন্দীগ্রামের আন্দোলন সম্পর্কে কিছু জানে না। তারা কয়েকজন জেহাদিদের নিয়ে শুধু কুৎসা করে গিয়েছে। ভগবান তাদের ক্ষমা করুক। শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, যে যারা এসেছিল তারা কি নন্দীগ্রামের শহিদদের নিয়ে কিছু বলেছেন? তিনি বলেন, এদের নাচে না আছে লাজ, না আছে লজ্জা। তিনি নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠকে হারিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হারিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এই নন্দীগ্রামে আন্দোলনের সময় লালকৃষ্ণ আদবানি না এলে কি কেউ নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারত। সভামঞ্চে থেকে উপস্থিত সবাইকে তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম সহ সবাইকে একজোট হয়ে থাকতে হবে না হলে এই জায়গা বাংলাদেশ হয়ে যাবে।

এরপর তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক হিন্দুদের উপর হিংসার ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, যে তিনি লোকসভা বিধানসভা ভোটে যেমন ছিলেন পঞ্চায়েত ভোটেও থাকবেন। তিনি সভা মঞ্চ থেকে সাফ জানিয়ে দেন, আজ সকালে তৃণমূলের মধ্যে থেকে তাঁর বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ কথা বলা হয়েছে তিনি তার কোনও উত্তর দেবেন না। তিনি বলেন, তার একটা লেভেল আছে যার তার কথার উত্তর তিনি দেবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বিরুদ্ধে কিছু বললে তিনি তার উত্তর দিতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *