ভাষা দিবস-৪! “ভাষার বিবর্তন হচ্ছে, সেটাকে ব্যাক্তিগত ভাবে আমি স্বাগত জানাই,” — রূপা মজুমদার

অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ২১ ফেব্রুয়ারি: “বাংলা ভাষার বিবর্তন হচ্ছে এবং সেটাকে ব্যাক্তিগতভাবে আমি স্বাগত জানাই, কারণ যুগের বা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু যেরকম পরিবর্তন হচ্ছে, ভাষার সময়ের সঙ্গে বিবর্তন প্রয়োজন।“ এই মন্তব্য করলেন লেখক- প্রকাশক রূপা মজুমদার।

শুকতারা ও নবকল্লোল-এর সম্পাদক, দেব সাহিত্য কুটির-এর কর্ণধার রূপা এই প্রতিবেদককে জানান, “বাংলা আমাদের ভাবের আদান প্রদানের মাধ্যম। ইংরেজি কাজের ভাষা। দুইয়ের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। বিরোধ থাকার কথাও নয়। নিন্দুকেরা বলেন বাংলা ভাষার নাকি সংরক্ষণের প্রয়োজন। আমি এই সবের প্রয়োজন অনুভব করি না এবং গর্ব সহকারে বলি বাংলা ভাষা সম্পর্কে আমরা যথেষ্ঠ যত্নবান।

অনেক বিদেশী বা অন্য প্রদেশের শব্দের অনুপ্রবেশ আমাদের কথ্য বাংলাতে হচ্ছে, এমনকি লেখার সময়তেও হচ্ছে, কিন্তু আমি এর মধ্যে কোনো ক্ষতি দেখি না।

প্রশাসনিক স্তরে বাংলা ভাষার গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেই কারণেই স্কুলে বাংলা আবশ্যিক করার প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং ঘোষণাও করেছিলেন একদা। আমার মনে হয় এটা বলবৎ করা উচিত, কারণ একটি শিশু যখন এতগুলি বিষয় করায়ত্ত করতে পারছে, তখন আরেকটা সাহিত্যের ভাষা পড়লে এমন কিছু ভাড় চাপানো হয় না।

তাছাড়া সব কিছু প্রশাসন বা সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে হয় না, আমাদের নিজেদের কিছু কর্তব্য থাকে। আমার মনে হয়, অন্য প্রদেশের মানুষ যাঁরা বাংলায় এসে বসবাস এবং কাজকর্ম করছেন, তাঁদের সঙ্গে আমাদের অর্থাৎ বাংলা ভাষীদের হিন্দি বা ইংরেজীতে কথা না বলে বাঙলাতেই বলা উচিত। তাতে তাঁরাও বাংলাতে আরো সাবলীল হবেন।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *