যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (অর্থনীতি বিভাগ) ডঃ অজিতাভ রায়চোধুরী জানালেন অশোক সেনগুপ্তকে।
আমাদের ভারত, ২১ ফেব্রুয়ারি: এটা যদিও খুব সত্যি যে ব্যবহারিক ভাষা হিসাবে ইংরাজির চল অনেক বেড়েছে। সেটা কিন্তু বিভিন্ন দেশে মাতৃভাষাকে হটিয়ে দিয়ে নয়। সেখানে ইংরাজির চর্চা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে- বৌদ্ধিক আদানপ্রদান ও ব্যবসায়িক কাজ ত্বরান্বিত করার স্বার্থে।
আজকে মাতৃভাষাকে অবহেলা বা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার যে প্রবনতা বাঙ্গালি মননে প্রকট হচ্ছে সেটা আমাদের মানসিক দৈন্যকেই দেখাচ্ছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এখনও বাংলায় লিখতে ভালবাসি, গর্ব অনুভব করি। সত্যি কথা, মনের ভাবপ্রকাশে আমার কাছে বাংলাভাষার কোনও বিকল্প নেই। তবে এ ব্যাপারে একটা খেদের কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি- টেকনিকাল বা গবেষণাধর্মী কাজে বাংলা ভাষায় শব্দচয়নের দৈন্য আরও প্রকট হচ্ছে সময়ের সঙ্গে- এর দায়ভার আমাদের সকলকেই ভাগ করে নিতে হবে। এ বিষয়ে ভাষাবিদ ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের মেলবন্ধন খুবই জরুরী।

