আমাদের ভারত, ১ জুন: লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকেছে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টে। এমনই অভিযোগ তুলে তদন্তের সক্রিয়তা বৃদ্ধি করার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখনো পর্যন্ত ২২টি এমন অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, অন্তত ৩০ লক্ষ এমন ভুয়ো অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। ৩০ লক্ষ অ্যাকাউন্টে যদি ১৫০০ টাকা করে ঢোকে তাহলে কত টাকা লুট হয়েছে তার হিসেবও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে ডিজিপির নির্দেশে এবার সিট গঠনের করে তদন্ত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এখনো পর্যন্ত ২২টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে যেখানে মহিলা নয়, পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিতেন।মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী ১৫টি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাচ্ছেন। তারিকুল রহমানের ছয়টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী তো পাচ্ছেন। আরো অনেকে টাকা পাচ্ছেন। পুলিশকে তদন্ত করে আরও বেশি সক্রিয় হতে বলছি। ডিজিপিকে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সব উপভোক্তা মিলিয়ে অন্তত ৩০ লক্ষ নাম বাদ যাবে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, হিসেব বলছে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে পূর্বতন সরকার।
অভিযুক্ত তারিকুল রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারিকুর রহমান এলাকার বিভিন্ন মহিলার নাম ব্যবহার করে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম পূরণ করতেন। নথিতে মহিলাদের নাম থাকলেও কৌশলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের জায়গায় নিজের সাতটি ভিন্ন অ্যাকাউন্টের বিবরণ দেন। এর ফলে মাসের শেষে সরকারি ভাতার টাকা ওই যুবকের পকেটে চলে যেত সরাসরি। এর আগে মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে এই তারিকুল সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ।

