Dibakar Gharami, BJP, Bankura, তিনি মানুষ ও দলের জন্য কাজ করে যাবেন, মন্ত্রিত্ব পেয়েই বললেন দিবাকর ঘরামী

সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১ জুন: সদ্য মন্ত্রিত্ব লাভ করেই তিনি মানুষ ও দলের জন্য কাজ করে যাবেন বলে মন্তব্য করলেন দিবাকর ঘরামী। রাজ্যে প্রথম বিজেপি মন্ত্রিসভায় বাঁকুড়ার জেলা থেকে আরও একজন প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন। সোনামুখীর বিধায়ক কৃষক পরিবারের ছেলে দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়া থেকে আগেই মন্ত্রী হয়েছেন জঙ্গলমহল এলাকার আদিবাসী পরিবারের ছেলে ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। আজ পূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের সময় শপথ নিলেন দিবাকর ঘরামী। এদিন শপথ নিলেন ৩৫ জন বিধায়ক।

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই দিবাকর ঘরামীর দাদু ও ঠাকুমাকে বরিশালের বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল এই দেশে। সোনামুখী ব্লকের দামোদর নদের তীরে কুরুমপুর গ্রামে তারা বসবাস শুরু করেন। সেখানেই জন্ম দিবাকর ঘরামীর। উদ্বাস্তু পরিবারে জন্ম হওয়ায় ছোট থেকেই তার সঙ্গী ছিল অভাব- অনটন। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় দিবাকর ঘরামীর দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চাষাবাদ। গত ২০২১ সালে সোনামুখী বিধানসভা থেকে জয়লাভের পর একদিনের জন্যেও মাটি ও মাটির কাছাকাছি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেননি, বরং একাধারে জনপ্রতিনিধি হওয়ায় তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দিবাকরবাবুর সরাসরি যোগ রয়েছে মাটি, চাষবাস ও খেটে-খাওয়া মানুষের সঙ্গে। সে কারণেই তিনি সোনামুখী বিধানসভা এলাকায় জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।

তাঁর মন্ত্রিত্ব পাওয়ায় আনন্দে মাতোয়ারা সোনামুখী। সেই সঙ্গে তাকে ঘিরে এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে।প্রতিদিনের অভ্যাস মতো এখনও প্রতিদিন সকালে মাঠে গিয়ে ফসলের পরিচর্যা করেন ও প্রয়োজনে জমিতে সেচ দেন। সোমবার তিনি ঠাঁই পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীতে সব কর্মীদের নিয়ে তিনি কাজ করার চেষ্টা করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। দল এখন বড় সম্মান দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তার মতো মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া একমাত্র বিজেপির পক্ষেই সম্ভব। তিনি মানুষ ও দলের জন্য কাজ করে যাবেন বলে অঙ্গীকার করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *