আমাদের ভারত, ৮ নভেম্বর: কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টির প্রধান অতুল রায় চলতি বছর করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন। এরপরই দলের হাল ধরেছে তারই স্ত্রী মেনকা রায়। তবে বর্তমানে দলকে শক্তিশালী করাই প্রধান লক্ষ্য। সামনেই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচন রয়েছে। তাই নির্বাচনের আগে ঘর গোছাতে শুরু করেছে তাদের দল।
ইতিমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সদস্য সংখ্যা ২৫ থেকে বাড়িয়ে ২৭ করা হয়েছে। কমিটিতে মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে দুই জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। এরা হল মালদা থেকে প্রভা শীল ও দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে তপন সরকার। পাশাপাশি দলের শক্তি বৃদ্ধি করতে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এলাকায় সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানে নামছে কেপিপি। এর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে ১ লক্ষ।
সোমবার শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের তরফে সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার রায় বলেন, দলকে এই মুহূর্তে শক্তিশালী করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রীয় কমিটির। তাই আমরা সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযান শুরু করছি। কেন্দ্রীয় কমিটিতেও আরও দুই জনকে নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত যে কোনও নির্বাচনে কেপিপি বিভিন্ন দলকে সমর্থন জানিয়েছে। এর আগেও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন করেছিল দল। তবে বিজেপিতে কেপিপি’র কোনও দাবি পূরণ না করায় বিধানসভা ভোটের আগে ফের তারা তৃণমূলকে সমর্থন জানায়। কিন্তু আগামী মহকুমা পরিষদের নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারে বলে এদিন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের পর ঘোষণা করা হবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
অন্যদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুমকি দিল কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টি। এদিন দলের তরফে বলা হয় লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কামতাপুরী ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এর কিছুই হয়নি। তাই আগামী শীতকালীন লোকসভার অধিবেশনে বিজেপি যদি তাদের দাবি পূরণ না করে তবে বিজেপির বিরুদ্ধে টানা আন্দোলনে নামবে কেপিপি।

