Master Plan, Ghatal, “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ করতে চার বছর সময় লাগবে”

কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ জুলাই: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ করতে সময় লাগবে চার বছর। রাজ্যে পালাবদলের পর সেচ মন্ত্রী অরূপ কুমার দাসের উপস্থিতিতে প্রথম, আগাম বন্যা মোকাবিলা ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উচ্চ পর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানালেন সেচ মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই বছর বন্যা হলে কত দ্রুত আমরা সুবিধা গুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি, খাদ্য থেকে শুরু করে সবকিছু সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুরনো ডিপিআর- এর কিছু মডিফিকেশন হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে উদ্যোগী, চার বছরের মধ্যেই ঘাটাল মাস্টার প্যান রূপায়িত হবে। কিছু ক্ষেত্রে জমি নিতে হবে বলেও মন্ত্রী বলেন। দ্রুত যাতে কাজ এগোয় সেই বিষয়েও দেখা হবে।

ঘাটাল টাউন হলে আয়োজিত এ’দিনের বৈঠকে ছিলেন সেচ দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ কুমার সিনহা, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা, পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, ঘাটালের মহকুমা শাসক অনন্য জানা সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা।
ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত ও চন্দ্রকোনার বিধায়ক সুকান্ত দোলই। বৈঠকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ণ, কাজের অগ্রগতি, জমি সংক্রান্ত বিষয়, কাজ যাতে দ্রুত এগোয় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। এই বছর বন্যা মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। এই প্রকল্পর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাতে শেষ হয় সেই বিষয়ে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, এই বছর রাজ্য সরকার ১২০০ কোটি টাকা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য বরাদ্দ করেছে। এ’দিনের বৈঠকে ঘাটাল, দাসপুর ও চন্দ্রকোণার বিধায়ক-সহ জেলা, মহকুমা ও ব্লক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন।বৈঠক শেষে ঘাটাল পৌরসভায় নির্মীয়মান পাম্প হাউসের কাজ পরিদর্শন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *