“তৃণমূল পুনর্বাসন কেন্দ্র হয়ে গেছে”, বললেন দিলীপ ঘোষ

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৬ নভেম্বর: গোয়া থেকে ত্রিপুরা তৃণমূল টাকার থলি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ কেউ আসতে চাইছে না। কিছু রিটায়ার্ড নেতাকে তৃণমূলে যোগদান করাচ্ছে। তৃণমূল পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই ভাবেই তৃণমূলে যোগদানকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং পেট্রোল ডিজেলের দাম না কমানোর প্রতিবাদে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে পুরুলিয়ার জয়পুরে মিছিল এবং পথ সভায় উপস্থিত হয়ে একথা বললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন জয়পুর কলেজ মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন বিজেপি নেতা ও কর্মী সমর্থকরা। জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্র কমিটি আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জেলা বিজেপি সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী, স্থানীয় বিধায়ক নরহরি মাহাতো ও বিধায়করা।

পথ সভায় তৃণমূলকে তোপ দেগে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের দাগি আসামীদের ত্রিপুরায় পাঠিয়েছিল। এখানে যেমন পুলিশকে পেছনে রেখে আমাদের চমকায়, ঠিক তেমনি ওখানকার লোকেরা ওদের চমকে দিয়েছে। আগে সে গিলা, পিছেসে পিলা হয়ে গিয়েছে।

এদিন খানিকটা আগ্রাসী হতে দেখা গিয়েছে সাংসদ দিলীপ ঘোষকে। তিনি বলেন, সোনামুখীতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় মাঝপথে পাত্রসায়েরে আমাদের আটকাবার জন্য লুঙ্গি পরে লাঠিসোঁটা লোকজন দাঁড়িয়েছিল। সেদিন কোনও পুলিশ, এসপি ডিএসপিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। সোনামুখীতে বিজেপিকে আটকানোর জন্য সব পুলিশ রেডি ছিল, আর গুন্ডা ডাকাতদের আটকাবার জন্য কোনও পুলিশ নেই। সেই সময় আমি আমার ড্রাইভারকে বললাম গাড়ির সামনে এলে উপর দিয়ে চালিয়ে দাও। ছবি করুক, দিলীপ ঘোষের সামনে এলে কি হয় দেখবে। আর সেভাবেই বেরিয়ে এলাম।

আজ পার্লামেন্টে বিরোধীদের বয়কট করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা সংবিধানের গুরুত্ব বোঝে না, সংবিধান মানে না, তারাই সংবিধান দিবসকে বয়কট করে। পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রোগ্রাম বয়কট করেছে তার মানে সংবিধানের প্রতি তাদের বিশ্বাস নেই, আস্থা নেই।

পুর ভোটের প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। নির্বাচনে জিততে পারবে এমন লোকেদেরই আমরা প্রার্থী করব। সমাজের সমস্ত স্তর থেকে প্রার্থী হবে। তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়ে দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *