কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৯ নভেম্বর: মনসুকায় সেতু ভেঙ্গে হুড়মুড়িয়ে নদীর জলে পড়ে গেলে শতাধিক মানুষ। কালীপুজোর কয়েকদিন আগেই মনসুকায় ঘোড়ইঘাটের কাছে নদীর উপর তৈরি হয়েছিল একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো। সেই সাঁকো দিয়েই চলছিল যাতায়াত। কিন্তু আজ হঠাৎই সেই সাঁকো ভেঙ্গে বিপত্তি ঘটে।

জানা গিয়েছে, ঘাটাল থানার মনসুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের কন্দর্পচকের একটি অষ্টমপ্রহরে নগরভ্রমনে বেরিয়েছিলেন লোকজন। ওই সাঁকো দিয়ে পার হওয়ার সময় সাঁকো ভেঙ্গে হুড়মুড়িয়ে অষ্টমপ্রহরের সব লোকজন নদীতে পড়ে যায়। নদীতে জল কম থাকায় লোকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় প্রশাসনিক কর্তারা।

এই ভাবেই মনসুকার ঝুমি নদীর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয় নদীর ওপারের মানুষজনদের। নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে মানুষ যাতায়াত করেন। বন্যা এলেই বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে যায়, বন্যার পর আবারও পুনর্নির্মিত হয় সেই বাঁশের সাঁকো। পাকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। যদিও পাকা সেতুর অনুমোদন হয়েছে ও রাজ্যের প্রয়াত পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয় এবং তার কাজ শুরু হয় কিন্তু বন্যা পরিস্থিতির কারণে কখনো সেতু নির্মাণের কাজ থমকে গিয়েছে আবার কখনো পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত ওই এলাকার মানুষদের যাতায়াতের জন্য নির্ভর কখনও বাঁশের সাঁকো আবার কখনও নৌকো।তাই এইভাবেই ঝুঁকি নিয়ে করতে হয় যাতায়াত।

