আমাদের ভারত, হুগলি, ৬ মার্চ: কাশীপুরে একজন আত্মহত্যা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার বাড়িতে চলে গেলেন। আমরাও এই ঘটনার তদন্ত চাই। শুক্রবার চুঁচুড়ায় পেট্রোল, ডিজেল সহ একাধিক জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে একটি মিছিল হয়। মিছিল শেষে একটি জনসভা হয়। সেই জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথাই বলেন, তৃণমূলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ।
এদিন কুনাল ঘোষ ছাড়াও ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন, প্রাক্তন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, অসীমা পাত্র, মন্ত্রী রত্না দে নাগ, বিধায়ক স্নেহাশিস চক্রবর্তী ও বিধায়ক অসীত মজুমদার। এদিন ওই মঞ্চ থেকে কুণাল ঘোষ বলেন, এক বছর আগে বাংলায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করতেন অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদী। বাংলার মানুষ তাদের হারিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল। বদলা নিতে তাই বাংলাকে উত্তক্ত করছেন বিজেপি নেতারা। ইডি সিবিআইয়ের অপব্যাবহার করা শুরু করেছে। এরপরই কুণাল ঘোষ বলেন, পঞ্চায়েতে আমরা একশো শতাংশ ভোট।চাই। কেন একশো শতাংশ ভোট লাগবে। তার ব্যাখ্যাও দেন কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার যেভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কণ্যাশ্রী সহ একাধিক পরিসেবা দিচ্ছে, তাই একশো শতাংশ ভোট দিতে হবে।
এদিন কুনাল ঘোষ ওই মঞ্চ থেকে বলেন, বাংলায় বিজেপিকে চোখ তুলে তাকাতে দেব না। এই বিজেপিকে কেউ সিরিয়াসলি নেবেন না। দলবদলু সহ একাধিক পচা লোকেরা বিজেপিতে ভিড় জমিয়েছে। এরপরই তিনি বলেন, বিজেপি মানে মূল্যবৃদ্ধি। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে বেচতে বেচতে জীবনবীমাও খোলা বাজারে বেচতে শুরু করেছে।
এদিন কুনাল ঘোষ বলেন, বিজেপি আবার সিএএ নিয়ে মেতে উঠেছে। যাদের ভোটার কার্ড আছে। আধার কার্ড আছে। তাদের আবার নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার মানে কি? এদিন পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা বলতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, আমি জয় শ্রীরাম বলতে রাজি আছি। কোনও পেট্রোল পাম্পে গিয়ে জয় শ্রীরাম বললে যদি ত্রিশ টাকায় আমাকে পেট্রোল ও ডিজেল দেয় তবে আমি জয় শ্রীরাম বলব। এই শ্লোগান আসলে বেঁচে থাকার শ্লোগান নয়। বেঁচে থাকার আসল শ্লোগান হল জয় বাংলা।
এদিন তৃণমূলের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রায় দশ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল। পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছিল যথেষ্ট ক্ষোভ।

