জে মাহাতো, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬ জুন: যসের পর এবার নজরে ভরা কোটাল। ২৬ তারিখ ভরা কোটালের আগে মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম তিন জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সারল সেচ ও জলসম্পদ দপ্তর। বৈঠকে যোগ দিলেন সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র, জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা, রাজ্যের মন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শিউলি সাহা। মূলত, বিভিন্ন এলাকার নদীবাঁধের অবস্থা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে।
সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানিয়েছেন, হাওয়া অফিস থেকে সেরকম বড় কোনও ক্ষতির আশঙ্কা না প্রকাশ করা হলেও জেলা প্রশাসনকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা জানিয়েছেন, বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিদের নিজেদের এলাকায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, যস দুর্যোগের পাশাপাশি জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়ায় বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই সমস্ত এলাকাগুলির সম্বন্ধেও বৈঠকে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। ভরা কোটাল ও পরবর্তী সময়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে কী কী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে বিষয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহা।
একই সাথে এই বৈঠকে জেলার বেশ কিছু উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়েও একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত দফতর, সেচ দফতর এবং জলসম্পদ দপ্তর একত্রে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা। সব মিলিয়ে এই বৈঠকে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে চূড়ান্তভাবে পর্যালোচনা করেন রাজ্যের মন্ত্রীরা।

