অমরজিৎ দে, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ২৩সেপ্টেম্বর:
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি মাঝে মঙ্গলবার দুপুর থেকে কয়েক ঘন্টার বানে তছনছ গোপীবল্লভপুরের চাষিদের ফলানো ফসল। আবহাওয়া এবং বন্যা পরিস্থিতির যতই উন্নতি হচ্ছে ততই প্রকট হচ্ছে চাষিদের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। প্লাবিত চাষের জমি থেকে জল নিচে নামার পর কৃষি জমির কঙ্কালসার অবস্থা বেরিয়ে আসছে।
ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১নং ব্লকের টোপগেড়িয়া, পিড়াশিমূল, আলমপুর সহ সুবর্ণরেখা নদী তীরবর্তী এলাকার বেশিরভাগ গ্রামের মানুষের একমাত্র জীবিকা কৃষি। বছরভর সবজি এবং ধান চাষ করেই এইসব এলাকার মানুষের চলে সংসার। কিন্তু মাঠ থেকে বৃষ্টির জল নামার পর টোপগেড়িয়া, পিড়াশিমূল আলমপুর, বাঁকড়া গ্রামে দেখা গেল সদ্য লাগানো কপি গাছগুলো একেবারেই শুয়ে পড়েছে। কপিচার তৈরির পলি হাউসগুলোতে যে সমস্ত চারা তৈরি হয়েছিল তাও বৃষ্টির জলে নষ্ট হয়েছে বলে দাবি চাষিদের। পাশাপাশি নষ্ট হয়েছে পটল, করলা, বেগুন জাতীয় সবজির। এরকম একটি পরিস্থিতিতে চাষিরা চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন সরকারি ক্ষতিপূরণের আশায়।

এ বিষয়ে গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের এডিএ অভিজ্ঞান দাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সবজি চাষের বিষয়টি ব্লকের হর্টিকালচার দফতরের আধিকারিক দেখেন। তবে আমন ধানের ক্ষতি হয়ে থাকলে চাষিরা আবেদন করার পর ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু আউস ধান ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেই। ব্লকে হর্টিকালচার দফতরের আধিকারিকে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোনে পাওয়া যায়নি।

