স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদীয়া, ২২ মে:
কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড় তাউতের হানায় বার্জ পি ৩৫০ এর সলিল সমাধি ঘটে। এখনো পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু বিপর্যয়ের ৫ দিন পরও খোঁজ মেলেনি ২৪ জনের।
পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার জাহাঙ্গীরপুরের শ্রীনিবাস ঘোষও ঐ দিন বার্জ ৩৫০ পি–তে কর্মরত ছিলেন। শেষবার জাহাজে ওঠার আগে তাঁর সাথে পরিবারের কথা হয়েছিল। তিনি তখন আরবসাগরে ছিলেন। বলছিলেন, খুব বিপদের মধ্যে আছি। জানিনা কি হবে। এরপর কিছুক্ষণ কথা বলার পর মোবাইলের লাইন আপনা থেকেই কেটে যায়। এই ঘটনার পর তার সাথে তার পরিবারের লোকেরাও যোগাযোগ করতে পারছেন না। শ্রীনিবাসবাবুর বাবা অর্জুন ঘোষ বলেন, আমি বহু শিপিং কম্পানিতে খোঁজ নিয়েছি কিন্তু আমার ছেলের তথ্য দিতে পারেনি। তাই আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। তিনি বলেন, সেদিনের ঘূর্ণিঝড় তাউতের হানায় বার্জ পি ৩৫০–এ তাঁর ছেলে ছিল। হন্যে হয়ে বহু শিপিং কম্পানিতে যোগাযোগ করার পর কোনও উপায়ন্তর না পেয়ে কয়েকদিন আগে কোতোয়ালি থানায় ছেলের নিরুদ্দেশের অভিযোগ দায়ের করতে যান। কিন্তু অর্জুন ঘোষের দাবি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা ঘটনা শোনার পর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এরপর তিনি গতকাল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ছেলের নিরুদ্দেশের অভিযোগ দায়ের করেন। এখন ছেলে ফিরে পাবার আশায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে পথ চেয়ে আছেন ঘোষ পরিবার।

