রাজেন রায়, কলকাতা, ১২ জানুয়ারি: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম বার্ষিকীতে এবার রেড ভলেন্টিয়ারদের ধাঁচে কোভিড কালে মানুষের পাশে থাকতে নামতে চলেছে গেরুয়া বাহিনীও। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিবেক বাহিনী’।
এদিন শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘সামাজিক পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের জীবন যুদ্ধ দিয়ে সামাজিক উত্থান-পতন যার দেহ ও মনকে স্পর্শ করে গিয়েছে, সেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন আজ। পশ্চিমবঙ্গ ভারতীয় জনতা পার্টি এবং যুব মোর্চা আজকের দিনে একটি বিশেষ কার্যক্রমের আয়োজন করেছে। আমাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সাংসদ বিধায়ক ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা-কর্মীরা কোভিড কালে মানুষের পাশে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছে তখন তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ত্রাণ সামগ্রী লুট করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও বিভাজনের রাজনীতির থেকে সরিয়ে রেখে আমরা সাধ্যমত মানুষের পাশে থাকার কাজ করেছি। কতটা পেরেছি কতটা পারিনি সেটা বাংলার মানুষ জানেন।

“আমাদের কর্মীরা আমাদের সমর্থকরা এখনো পর্যন্ত কোভিডের ভ্যাকসিন পায়নি অনেক জায়গায়। বিভাজনের রাজনীতি নির্বাচনের পরে এমন জায়গায় পৌঁছেছে ভ্যাক্সিনেশন, রেশন থেকেও আমাদের কর্মীরা বঞ্চিত। তারপরেও বিভিন্ন ব্লকে, পঞ্চায়েতে ভারতীয় জনতা পার্টি চেষ্টা চালিয়েছে মানুষের পাশে থাকার। যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘বিবেক বাহিনী’ কার্যক্রম সবার সামনে আনা হল।”
পশ্চিমবঙ্গের ১২৫ টা মিউনিসিপ্যালিটি, ৭টা কর্পোরেশন, ৩৪১টা ব্লকে সর্বত্র আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই কর্মসূচিতে ২০ হাজার সদস্যকে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। ১০০ জন চিকিৎসক সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। রাজ্যে বহু জায়গায় স্বাভাবিক চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে। যাদের বাড়িতে সকলেই সংক্রমিত হয়ে রয়েছেন বাজার করবার মতো লোক নেই সেখানে আমাদের কর্মীরা সাহায্য করবে। কেউ হাসপাতালে পৌঁছতে পারছেন না তাদেরকে আমাদের কর্মীরা পৌঁছে দেবেন। যে সমস্ত চিকিৎসকরা বিবেক বাহিনীতে রয়েছেন তারা টেলিফোনে যতটা সম্ভব পরিসেবা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আগামীকাল থেকে একটি অনলাইন নাম্বার চালু করা হচ্ছে, বলে জানান শমীক ভট্টাচার্য।

