আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৬ নভেম্বর: দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। অবশেষে বুধবার থেকে সরকারি ভাবে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে পঠনপাঠন শুরু হল। কলেজ সুত্রের খবর, মোট ৮২ জন ছাত্রছাত্রী এবছর ভর্তি হয়েছেন। মেডিক্যাল কলেজে পঠনপাঠন শুরু হওয়ায় খুশি জলপাইগুড়ি শহরবাসী থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রী এবং অবিভাবকরা।
জলপাইগুড়িতে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরি করা হবে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে, জলপাইগুড়িতে এসে এই ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই মেডিক্যাল কলেজের জন্য জমি খোঁজার কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন। শহরের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের উল্টো দিকে ১৬ একর জমি এবং ফার্মাসি কলেজের মাঠ নিয়ে মোট ২১ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের উল্টো দিকে ৩২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে তৈরি হতে চলা জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের স্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ ভার্চুয়ালি শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি রাজ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা দপ্তর থেকে ঘোষাণা করা হয়েছিল ১০০ আসন নিয়ে চলতি শিক্ষা বর্ষ থেকেই অস্থায়ী পরিকাঠামোতেই মেডিক্যাল কলেজের পঠন পাঠান শুরু করা হবে। দপ্তরের ওই ঘোষণা অনুসারে অবশেষে সোমবার থেকে সরকারি ভাবে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে পঠন পাঠন শুরু করা হল।
জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি কল্যাণ খাঁ বলেন, “উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে পুরনো জলপাইগুড়ি হাসপাতাল। আজ থেকে নতুন প্রাণ নিয়ে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চালু হল। প্রতি বছর এখান থেকে একশো জন চিকিৎসক হবেন। এটা খুবই ভাল খবর সকলকে ধন্যবাদ জানাই। ৮২ জন ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে আজ থেকে পঠন পাঠন শুরু হল।”

