আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ৮ ফেব্রুয়ারি:
এসি ঘরে বসে উচ্চ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রার্থী বাছাই করা যায় না। মানুষ সেই প্রার্থীকে মানবে না। কর্মীরাই সিদ্ধান্ত নেবে কে কোন ওয়ার্ডে প্রার্থী হবে। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী বদলের দাবি তুলে কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠকে এমনই বলেন, বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য।
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পৌরসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষের জেরে বিক্ষোভ, অবরোধ, প্রতিবাদ মিছিল অবাহত। একাধিক ওয়ার্ডে প্রার্থী বদল নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে তৃণমূলের একাংশ কর্মী সমর্থক। এমনকি প্রাক্তন পুরপ্রধানকে কেন টিকিট দেওয়া হল না তা নিয়েও চলে বিক্ষোভ। এবার বনগাঁ পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ডাকে বৈঠক করেন শংকর আঢ্য। মঙ্গলবার বনগাঁর শিমুলতলা এলাকার বঙ্কিম পালের মাঠে। বৈঠক শেষে বনগাঁ পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকরা আঢ্য বলেন, আমি কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত। কর্মীরা যে দাবি করছে ঊর্দ্ধতন নেতৃত্বেরও সেটা ভেবে দেখা উচিত। এসি ঘরে বসে উচ্চ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রার্থী বাছাই করা যায় না। মানুষ সেই প্রার্থীকে মানবে না। কর্মীরাই সিদ্ধান্ত নেবে কে ওয়ার্ডে প্রার্থী হবে।
যদিও এই বিষয়ে বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী আলোরানী সরকার বলেন, দল অনেক বড়। বাইশটি ওয়ার্ডে ২২ জন প্রার্থী হবে, তার বেশি তো প্রার্থী আমরা দিতে পারব না। তাই ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকবে সেটা দল বুঝে নেবে। এই সব কথা বলে দলের কোনো ক্ষতি হবে না।
এই বিষয়ে বিজেপি নেতা দেবদাস মন্ডল বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে বনগাঁর মানুষ ভারতীয় জনতা পার্টির উপরে আস্থা রাখবে।

