আমাদের ভারত, ২৯ মে:শুক্রবার ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের ঘূর্ণিঝড় যস কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের পর ক্ষতিগ্রস্ত ৩ রাজ্য ওড়িশা, পশ্চিম বঙ্গে, ঝাড়খন্ডের জন্য মোট এক হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরমধ্যে ওড়িশা ৫০০ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গ ঝাড়খন্ডকে একসাথে ৫০০ কোটি দেওয়া হবে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের তরফে জানানো হয়েছে যসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আপৎকালীন ত্রাণ কাজের জন্য এক হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে ওড়িশার ভদ্রক, বালেশ্বর জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকাগুলি আকাশপথে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার সাথে ছিলেন মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য। যসের ক্ষয়ক্ষতির পর্যালোচনা করেছেন তারা।
যস ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মৃতদের পরিবারকে দু’লক্ষ এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা অর্থসাহায্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন এর পাশাপাশি জাতীয় অর্থ কমিশনের কাছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ সুপারিশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর উপকূলবর্তী এলাকায় বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়টিতে বিজ্ঞানসম্মত মোকাবিলার উপর জোর দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকের পরই উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক টুইট করে জানান করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপাতি চান না তিনি। তাই যস বিধ্বস্ত ওড়িশার জন্য কেন্দ্রের কাছে অর্থ সাহায্যের দাবি জানাবেন না। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তার সরকার এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ না দিলেও যস বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা অর্থসাহায্যে দাবি জানিয়েছেন।

