আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ১০ অক্টোবর: বাবা অর্থনীতির শিক্ষক। ছোটো থেকেই বাবাকে দেখেছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সেখান থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে একই পথে হাঁটল ছেলে। রবিবার বাবার দেখানো পথে প্রায় তিন সহস্রাধিক মহিলার হাতে তুলে দিলেন শাড়ি, মিষ্টি ও জল। এই মহতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নলহাটি থানার ওসি তাপাই বিশ্বাস।

নীলাঞ্জন দত্ত নলহাটির নেতাজি রোডের বাসিন্দা এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। বাবা সহদেব প্রসাদ দত্ত মুরারই কবি নজরুল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অর্থনীতির শিক্ষক। মা অলকারাণী দত্ত নিপাট গৃহবধূ। দত্ত পরিবারের একমাত্র ছেলে নীলাঞ্জন। তিনি ছোট থেকে বাবাকে দেখেছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। বহু ছেলেমেয়েকে স্বেচ্ছায় পাঠদান করেছেন। সেখান থেকেই প্রেরনা পেয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়েছেন তিনি। রবিবার তিন সহস্রাধিক মহিলার হাতে তুলে দিয়েছেন কাপড়। দেওয়া হয়েছে নামী কোম্পানির মিষ্টি এবং পানীয় জল।
নীলাঞ্জনবাবু বলেন, “বাবাকে দেখেছি মেয়ের বিয়ে থেকে শ্রাদ্ধ, দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সব সময়। এখন আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। তাই বাবার দায়িত্ব আমি কাঁধে তুলে নিয়েছি। চেয়েছি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের সমস্ত মহিলার গায়ে যেন নতুন বস্ত্র ওঠে। সেই সংকল্প নিয়েই বস্ত্র দানের উদ্যোগ”।

সহদেববাবু বলেন, “সবার উপর মানুষ সত্য। এই পঙক্তি আমাকে মানুষের পাশে থাকার উৎসাহ জুগিয়েছে। ছেলে সেই পথ অনুসরণ করায় আমি খুশি। মানুষের পাশে থাকলেই শিব সেবা করা যায়”।

