আমাদের ভারত, ২৩ আগস্ট: অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়া নিয়ে সমস্যার কারণ গুলো স্পষ্টভাবে বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জেলায় জেলায় অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা না পাওয়া নিয়ে মহিলারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির জন্য কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনায় বিচ্যুতি রয়েছে। তবে তার সঙ্গে অন্তর্ঘাত রয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। হ্যাঁ এমনটাই মনে করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, ষড়যন্ত্র হয়েছে।
দু’দিন আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দপ্তরের মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি দাবি করেন কিছু জায়গায় ভিতরে বসে তৃণমূলের লোকজন অশান্তিতে উস্কানি দিচ্ছে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ধমক- চমক দিয়ে, রিল বানিয়ে, মিডিয়া ট্রায়াল করে, ২০ জন লোককে রাস্তায় নামিয়ে ওই হেরে যাওয়া খন্ড বিখন্ড তৃণমূলের কোনো বুদ্ধি চলবে না। পাশাপাশি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম দিবসে পশ্চিমবঙ্গে অন্নপূর্ণা দিবস পালন হবে বলে ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন। প্রয়োজনে আরো কুড়ি থেকে ত্রিশ লক্ষ মহিলাকে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
এরপর রবিবার শমীক ভট্টাচার্য জানালেন, ওই সংখ্যাটি প্রায় ৫০ লক্ষ হতে পারে। রবিবার হাওড়ায় বিজেপির এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বলেন, দু’ এক জায়গায় বিচ্যুতি রয়েছে। সেটা সিস্টেমের কারণে। বহু জায়গায় অন্তর্ঘাত করার চেষ্টা হয়েছে। কিছু জায়গায় ফর্ম ফিলাপ করতেও কেউ কেউ গাফিলতি দেখিয়েছেন। তবে অন্তর্ঘাতের মূলে কারা রয়েছেন সেটা পরিষ্কার করেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তবে তাঁর দাবি, খুব শীঘ্রই আরো ৫০ লক্ষ মহিলা প্রকল্পের আওতায় টাকা পাবেন। যোগ্যরা কেউ বঞ্চিত হবে না।
তিনি আরো জানিয়েছেন, কোথাও কোথাও এই প্রকল্প বাঞ্চাল করার চেষ্টা হয়েছে। তারপরেও প্রায় এক কোটি ২০ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন। তৃণমূলের আমলে লক্ষ্মীর ভান্ডারে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শমীক ভট্টাচার্য জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা যাতে সত্যিকারের উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছায় তার জন্য তালিকা যাচাই, স্ট্রিমিং- এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।তাঁর কথায়, বছরে ৩৬ হাজার টাকা তো কম কথা নয়। প্রকল্পের সুবিধা যারা প্রকৃত যোগ্য তারাই পাবেন। সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

