অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ১ জুন: “রবীন্দ্র সরোবরের নাম বারবার খবরের শিরোনামে চলে আসছে। দিন দশ আগেই রোয়িং করতে আসা জোড়া কিশোরের মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু রবীন্দ্র সরোবরের নজরুল মঞ্চ। এই মন্তব্য করে প্রশ্ন তুললেন পরিবেশ-প্রযুক্তিবিদ তথা রবীন্দ্র সরোবরের সঙ্গে ছয় দশক ধরে নানাভাবে যুক্ত সোমেন্দ্র মোহন ঘোষ।
বুধবার তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, “উন্নয়নের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু প্রদীপের নিচে যেন রয়ে গেছে অন্ধকার। এই ভিনরাজ্য থেকে অনুষ্ঠান করতে আসা গায়কের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনার দায় কি এড়াতে পারে কেএমডিএ? নির্দিষ্ট দর্শক সংখ্যার প্রায় তিন গুণ দর্শক প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছে গেল লেকের কঠিন বেড়া টপকে, সেক্ষেত্রে কেএমডিএর রক্ষীরা কী ভূমিকা পালন করল? শুধু তাই নয় নজরুল মঞ্চের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার অতিরিক্ত চাপে এসিও বিকল হল। মূল মঞ্চের প্রবেশদ্বারে যথেচ্ছ ফায়ার এক্সটিংগুইশার গ্যাস ছিটানো হল কার তত্বাবধানে?
মোট কথা রবীন্দ্র সরোবরের কোনো স্থানেই নিরাপত্তার কোনও ভূমিকা নেই। দুর্ঘটনা ঘটে যাবার পর ডজন ডজন মিটিং করে কি লাভ? এমনিতেই নজরুল মুক্তমঞ্চকে এসি হলে রূপান্তরিত করে রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশকে কলুষিতই করা হয়েছে। আবার সেই এসি গুলি প্রয়োজনের সময়ে কাজও বন্ধ করে দেয়। এসবের কি প্রয়োজন ছিল?
এতগুলো এসির এক্সজস্ট এবং হলের গেটের বাইরেই জেনারেটরের কালো ধোঁয়া পরিবেশ ধ্বংসকারী দূষণ ছড়ায়। তার ওপর নজরদারির এই চরম গাফিলতির দায় কী করে এড়াতে পারে কেএমডিএ? এই অবস্থায় নজরুল মঞ্চকে আবার মুক্তমঞ্চ করার দাবি উঠছে।”

