লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য কর্মীদের ডিএ-তে কোপ, প্রশ্ন শুভেন্দুর

আমাদের ভারত, ৪ জানুয়ারি: লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থের সংস্থানের জন্য রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ-তে কোপ পড়ছে কি না, সেই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের ফিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারী এবং পেনশন প্রাপকদের মহার্ঘ ভাতার মত ন্যায্য অংশের ব্যয়ে কি লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে? মুখ্যমন্ত্রী কি এটাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট সাহসী হবেন? মাননীয় রাজ্যপাল দয়া করে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের দুর্দশার দিকে নজর দিন।“

টুইটের সঙ্গে একটি নথি যুক্ত করা হয়েছে। তাতে লেখা, ইতিমধ্যেই ওঁরা প্রাপ্য বকেয়া থেকে চার বছর বঞ্চিত হয়েছেন। বেতন কমিশনের বৃদ্ধি ২০১৬ সালে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, ২০২০ সালে প্রয়োগ করা হয়। তাও কোনও ডিএ ছাড়াই।

ভারতের অন্যান্য অংশে এটা নজিরবিহীন। অতীতে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেনি। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ২৮% কম ডিএ দেওয়া হচ্ছে। যার অর্থ তাঁদের এক তৃতীয়াংশ কম বেতন দেওয়া হচ্ছে।

যেমন সর্বনিম্ন বেতনভুক্ত গ্রুপ ডি কর্মীদের বেতন ১৭,০০০/মাস টাকা। এর থেকে ২৮% বঞ্চিত হচ্ছেন। ৪,৭৬০/প্রতি মাসে ধরে ৪,৭৬০ x ১২ = টাকা ৬৭,১২০/- বছরে বঞ্চিত হচ্ছেন লাখ লাখ পদের কর্মীরা। যাঁরা এখনও চাকরিতে আছেন তাঁরা বার্ষিক ৩% ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছেন; কিন্তু লক্ষ লক্ষ পেনশন হোল্ডারদের অবস্থা বিবেচনা করে যাঁরা বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের অধিকারী নন, তাঁরা কীভাবে তাঁদের ২৮% ডিএ-এর ন্যায্য অংশ থেকে প্রতারিত হচ্ছেন?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *