আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ১৪ জুন: চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে বছর দু’য়েক আগেই। কিন্তু এখনও জবর দখল করে রেখেছে দোকান ঘর। বছর দুয়েক ধরে পুলিশ থেকে পুসরভার দুয়ারে ঘুরেও কোনো সমাধান হয়নি। এবার সিউড়ির বিধায়ক, উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হোয়াটস অ্যাপে জনতার দরবারে অভিযোগ জানান ষাটোর্দ্ধ দম্পত্তি।
জানা গিয়েছে, সিউড়ি শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিনা চট্টোপাধ্যায় এবং সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১০ সালে তাঁরা বাড়ি সংলগ্ন দুটি দোকান ঘর হাসিবুল রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ভাড়ায় দেন। চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০২৪ সাল পর্যন্ত। ১৪ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নিজের দোকান ঘর ফেরত না পেয়ে হতাশ ওই দম্পত্তি।

রিনা চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালে ভাড়াটিয়া দুর্ব্যবহার করেন। গায়ের জোরে ঘর ছাড়তে অস্বীকার করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী ফয়জুদ্দিনের কাছেও দরবার করেন। কিন্তু কোনও সহযোগিতা পাননি। বরং কাউন্সিলর ভাড়াটিয়ার পক্ষ নেন বলে অভিযোগ। শেষে সিউড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোনো সুরাহা পাননি।
সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের জনতার দরবারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লিখিত অভিযোগ জানান ওই ষাটোর্দ্ধ দম্পত্তি। রিনা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা কাউন্সিলর থেকে থানা, সবার দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে হতাশ হয়ে পড়েছি। এখন সরকার পরিবর্তন হয়েছে। মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হোয়াটস অ্যাপে অভিযোগ জানিয়েছি। দেখা যাক সঠিক বিচার পাই কিনা”।
জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু মালিক এবং ভাড়াটিয়ার বিষয়। তাই পুলিশকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

