আমাদের ভারত, বর্ধমান , ১৪ এপ্রিল
২ মের পরে আর দিদিমণির কোনও কাজ থাকবে না। তখন তিনি ছবি আঁকবেন। আর সেই কারণেই এখন থেকে তিনি ছবি আঁকার চর্চা শুরু করেছেন। বর্ধমানে এসে কথা বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বুধবার সকালে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় চায়ের আড্ডায় যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানে চায়ে চুমুক দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিচ্ছে। বর্ধমানেও তার ব্যতিক্রম হবে না। জঙ্গলমহলের মানুষ যেমন দিদিমণির দোকান বন্ধ হয়ে গেছে বর্ধমানেও দিদিমণির দোকান বন্ধ করে দেবো। বাংলার মানুষ এটাই চাইছে। সেইমতো বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার সাধারণ মানুষও পরিবর্তন করতে চাইছেন। বর্ধমানে ১৬ টি সিটের মধ্যে বেশিরভাগ সিটেই বিজেপি জিতবে। ওদের বিরোধী হিসেবে কয়েকটা সিট ছেড়ে দেবো।
কিন্তু যারা অশান্তি চাইছে তারা আমাদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গুন্ডারা এই ধরনের গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছে। এর ফলে কিন্তু ভোটে কোনও প্রভাব পড়ছে না। বর্ধমানের মানুষ সকাল সকাল বেরিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সেই ভোট পরিবর্তনের পক্ষেই যাবে কেউ ভয় দেখিয়ে, গুন্ডামি করে কেউ ভোটকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
মঙ্গলবার বিকালে বিজেপির উপর হামলার পরে পালটা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কোনও দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙ্গচুর করা বিজেপির কালচার নয়। এর আগেও যতবার বর্ধমানে এসেছি ততবারই তারা নানাভাবে অশান্তি করার চেষ্টা করছে। গতকালও বর্ধমানেও তারা ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। আমাদের ছেলেরা সেটা আটকে দিয়েছে। বাকিটা সেখানকার সাধারণ মানুষ করেছে।’ শীতলকুচি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন শীতলকুচি ভুলে যান। যারা হেরে গেছে তারাই শীতলকুচি নিয়ে পড়ে আছে।
ধর্নায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আঁকাকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, ২ মের পর দিদিমণির আর কোন কাজ থাকবে না। তখন তো তিনি ছবিই আঁকবেন। সেই কারণেই এখন প্র্যাকটিস করছেন।

