আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৩১ মে: উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্যের দাবি তুলে মিছিল ও উত্তরবঙ্গ বিভাগীয় দফতরের সামনে বিক্ষোভে সামিল হল কেপিপি (কামতাপুর প্রগ্রেসিভ পার্টি) কেন্দ্রীয় কমিটি। আলাদা রাজ্যের পাশাপাশি রাজবংশী ভাষাকে অষ্টম তফসিলিতে অন্তভুক্ত করা সহ একাধিক দাবি তুলে বিভাগীয় কমিশনারের দফতরের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে দাবিপত্র তুলে দেয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেউ আলোচনায় বসলেও কেপিপি আলাদা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে পঞ্চায়েত ভোটে কেপিপি’র ভূমিকা কি থাকবে।
উত্তরবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবা নেই, সঠিক পরিকাঠামো নেই। সব কিছুর জন্যই কলকাতার উপর ভরসা করে থাকতে হচ্ছে উত্তরবঙ্গবাসীকে। সব দিক থেকে উত্তরবঙ্গ বঞ্চিত ও অবহেলিত হচ্ছে বলে অভিযোগ কেপিপি’র। বিজেপির একাংশ বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধি আলাদা রাজ্যের দাবি তুলছে সেটা বিজেপির দলীয় বিষয়। কেপিপি ২৬ বছর ধরে আলাদা রাজ্যের দাবি তুলে আন্দোলন করে আসছে। শহরজুড়ে মিছিল করে বিভাগীয় কমিশনার দফতরের সামনে মিছিল হাজির হলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয়। এরপর প্রতিনিধি মূলক কেপিপি সদস্যরা নিজেদের দাবি বিভাগীয় কমিশনার দফতরে তুলে দিলেন। উত্তরবঙ্গকে কামতাপুর রাজ্য নাম দিয়ে আলাদা রাজ্য করতে হবে। এছাড়া বিশ্ব মহাবীর চিনা রায়ের জন্মদিনে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা ও জলপাইগুড়িতে বীর চিলা রায়ের নামে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করার দাবি তোলা হয়। এইমস হাসপাতাল করা সহ মোট সাত দফা দাবি তোলা হয়েছে।

কেপিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অমিত রায় বলেন, “উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য করতে হবে। আমরা সব দিক থেকে বঞ্চিত। সামনে পঞ্চায়েত ভোট তার আগে কোনো রাজনৈতিক দল কেপিপি সঙ্গে বৈঠকে বসলেও আলোচনার করা হবে। তারপর আমরা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।”

