আমাদের ভারত, ১৬ নভেম্বর: পুজোর আগে থেকেই রাজ্যের পদ্ম নেতারা দাবি করছেন, ডিসেম্বরে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের জন্য ধামাকা অপেক্ষা করছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী ও তৃণমূলের নেতাদের নাম দুর্নীতির সাথে জড়িয়েছে। একাধিক জনকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতেও হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতির দায়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে আছেন। উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। সেই সময় থেকেই সুকান্ত, শুভেন্দু, দিলীপ সহ সব বিজেপি নেতাই বার বার বলেছেন ডিসেম্বরে বড় কিছু হতে চলেছে। সুকান্ত বলেছেন ডিসেম্বরে সরকার কাঁপবে। কিন্তু তৃণমূলের নেতারা এই দাবি নানা ভাবে উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু নভেম্বরের মাঝামাঝিতে এসে আবারও জোড়ালো ভাবেই সুকান্ত মজুমদার বললেন ডিসেম্বরে তৃণমূলের সরকার কাঁপবে। কিন্তু কেন?
সাম্প্রতিককালে রাজ্য রাজনীতিতে বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে ডিসেম্বর তত্ত্ব। ডিসেম্বরে সরকার পড়ে যাবে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতাকর্মীদের একাংশ। আর এই দাবি ঘিরে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। নবান্ন সূত্রেও খবর, সম্প্রতি এক মন্ত্রিসভার বৈঠকেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যাবিনেটের বাকি সদস্যদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন নভেম্বর ডিসেম্বরের নজরদারি আরো বাড়ানোর জন্য। এমনকি প্রশাসনিক বৈঠকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছিলেন। এবার সেই ডিসেম্বর তত্ত্ব নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দেখুন না, আমরা আরো একটু সময় অপেক্ষা করি। সবে তো খেলা শুরু হয়েছে। সিবিআই আদালতে বলতে শুরু করেছে। সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি আদালত জানতে চাইছি এই দুর্নীতির সঙ্গে কি আরও কোনো বড় নাম জড়িয়ে রয়েছে? সিবিআই বলেছে হ্যাঁ সেই রকমই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এখন এই বড় বড় নামরা জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসবে বা কাস্টাডিতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাদের।” এরপর সুকান্ত প্রশ্নের সুরে বলেন, “এতে আপনাদের কি মনে হয়? সরকার তো কাঁপবে?”
এরপরই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে গ্রিটিংস কার্ড পাঠানোকে কেন্দ্র করে জোরচর্চা শুরু হয়েছে, সে প্রসঙ্গে সুকান্ত পাল্টা দিয়ে বলেন, “বড় বড় নাম যখন উঠে আসবে তখন তারাও কার্ড গোলাপ ফুল পাঠাবেন প্রয়োজনে পদ্ম ফুলও পাঠাবেন জেলে।

