(ছবিঃ বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা)
সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১৬ নভেম্বর: বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী দানার বাড়িতে ফের সিআইডি দল। প্রভাব খাটিয়ে মেয়েকে কল্যাণী এইমসে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে এর আগে দু’দফায় বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়কের বাড়িতে যায় সিআইডি দল। তার মেয়ে মৈত্রী দানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দলটি। ফের আজ বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার বাড়িতে পৌঁছল চার সদস্যদের সিআইডি দল।
আজ দুপুরে সিআইডির ওই তদন্তকারী দলটি বাঁকুড়ার বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছয়। বিষয়টিকে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছে বিজেপি। এই বছরের গোড়ার দিকে বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার মেয়ে মৈত্রী দানা প্রভাব খাটিয়ে কল্যাণী এইমসে চাকরি পেয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তারপরই ঘটনার তদন্ত নিজেদের হাতে নেয় সিআইডি। গত ১৫ জুলাই ও ১ আগস্ট দু’দফায় বিধায়ক কন্যা মৈত্রী দানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি।
সূত্রের খবর, ওই দু’দফার জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু অসঙ্গতি থাকায় আজ ফের মৈত্রী দানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দারা। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিধায়ক নীলাদ্রি দানা বলেন, এইভাবে তাঁকে দমানো যাবে না। বিধায়ক বলেন, ‘পৃথিবী গোল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। ওদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। যেখানে যেখানে তৃণমূল রয়েছে সেখানে দুর্নীতি। নীলাদ্রি দানাকে আটকে রাখবে? চল্লিশ বছর ধরে রাজনীতি করছি। তার মধ্যে ৩৪ বছর সিপিএম জমানা দেখে নিয়েছি। এরা দুগ্ধপোষ্য শিশু আমার কাছে। পশ্চিমবাংলায় যেখানে যেখানে সরকারি জায়গা রয়েছে সেখানে দুর্নীতি হয়েছে। নীলাদ্রি শেখর দানা বাঘের বাচ্চা। শেয়াল হতে শেখেনি। মাথা উঁচু করে রাজনীতি করে।
বাঁকুড়ার সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, ‘আমাদের বিধায়কদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ওনাকে সিবিআই যখন গ্রেফতার করবে তখন মজা বুঝবে। নীলাদ্রি শেখর দানার মেয়ে শিক্ষিত। আর এটা চুক্তিভিত্তিক কাজ। কোনও সরকারি পে-স্কেল থেকে তো চাকরি পায়নি।’

