কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে কেন্দুগাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ১৮ আগস্ট: এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পে বৃক্ষরোপণের কাজের বোর্ড খুঁজতে বাঁধের স্নান ঘাটে নামলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের করা একশো দিনের কাজ খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

জানাগেছে, একশো দিনের কাজ এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের মতো একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকে এসে পৌঁছান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখান থেকে ফিল্ড ইনকোয়ারির জন্য বেড়িয়ে পড়েন ব্লকের কেন্দুগাড়ি ৭ নম্বর অঞ্চলে। অঞ্চল অফিসে কিছুক্ষণ থাকার পর কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা বেড়িয়ে পড়েন একশো দিনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে। কেন্দুগাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের টুরিষ্ট স্পট হিসাবে পরিচিত করকটা বাঁধের রাস্তার ধারে একশো দিনের প্রকল্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেখার পর যখন কাজের কংক্রিটের বোর্ড দেখতে যান তখন আর খুঁজে পাননি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। বোর্ড খুঁজে না পেয়ে কেন্দুগাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা যান পাশের করকটা বাঁধের স্নানের ঘাটে। তাদের ধারনা সেখানে হয়তো স্থানীয় মানুষজন স্নানের সুবিধার জন্য কংক্রিটের বোর্ড নিয়ে গিয়ে থাকবেন। সেখানে বাঁধের ঘাট বেয়ে নীচে নামেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। আর সেখানেই খুঁজে পাওয়া যায় একটি এমজিএনআরইজিএ (MGNREGA) প্রকল্পের বৃক্ষরোপণের বোর্ড। পরে কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা কেন্দুগাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকটি আবাস যোজনার বাড়ি ঘুরে দেখেন। কথা বলেন উপভোক্তাদের সঙ্গে। জানার চেষ্টা করেন কাটমানি নেওয়ার বিষয়ে। তবে বাড়ি পাওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।

তবে গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি সেচের কাজ দেখে উষ্মা প্রকাশ করেন প্রতিনিধিরা। কারণ যতটা পরিমাণ গভীর করে ক্যানেল কাটা হয়েছে ততটা মাটি নেই ক্যানেল এর পাশে। এর থেকে প্রশ্ন তোলেন পুরনো কাজকে অল্পসল্প সংস্কার করে দেখানো হচ্ছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন। মোটের উপর গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের বিজেপি পরিচালিত একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে সবকিছু খতিয়ে দেখে খুব একটা সন্তুষ্ট বলে মনে হয়নি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের। তবে প্রতিনিধি দল সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *