CBSE, Supreme Court, ৯ম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত সিবিএসই’র, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিভাবকরা

আমাদের ভারত, ২৪ মে: ১লা জুলাই থেকে নবম শ্রেণির পাঠে রাখতে হবে তৃতীয় ভাষা। এর বিরুদ্ধে শুক্রবার আদালতের দ্বারস্থ হন অভিভাবকরা। আগামী সোমবার ২৫ মে এই মামলার শুনানি হবে। এই মামলার দ্রুত শুনানির অনুরোধ জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

সিবিএসই জানিয়েছিল, তৃতীয় ভাষার জন্য স্কুলগুলি আভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন করবে, তবে তৃতীয় ভাষায় পড়ুয়াদের নম্বরের প্রভাব থাকবে সিবিএসসি-র শংসাপত্রে।

নবম এবং দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে তিন ভাষা বাধ্যতামূলক করেছে সেন্ট্রাল বোর্ড ফর সেকেন্ডারি এডুকেশন। ২০২৬- ২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ১৫মে শুক্রবার একটি নির্দেশিকা জারি করে সে বিষয় জানানো হয়। ন্যাশনাল এডুকেশনাল পলিসির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও দশমের চুড়ান্ত পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষাটির পরীক্ষা দিতে হবে না বলে জানানো হয়েছিল।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই নির্দেশিকা অনুযায়ী আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে তিনটি ভাষায় পড়াশোনা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে নবম ও দশম শ্রেণির জন্য। যার মধ্যে অন্তত দুটি ভাষা ভারতীয় হতে হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দুটি দেশিয় ভাষা পড়ার সাথে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা পড়তে পারবে পড়ুয়ারা। সেটিকে চতুর্থ ভাষা হিসেবে ধরা হবে। ভারতীয় ভাষার মধ্যে রয়েছে বাংলা, তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম, কন্নড় ও গুজরাটি। ইংরেজিকে বিদেশি ভাষার বিভাগেই রাখা হয়েছে।

কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে শুক্রবার আদালতে আবেদন দায়ের করা হয় আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে। অভিভাবকদের পক্ষের আইনজীবীর মুকুল রহতোগী প্রশ্ন তোলেন, এতো অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা সম্ভব? তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়ুয়ারা এমনিতেই অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপে রয়েছে, তার মধ্যে হঠাৎ করে আরও একটি ভাষা যুক্ত করলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *