ঝালদায় তপন কান্দু খুনের ঘটনার পুনর্নিমাণ সিবিআইয়ের

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২০ এপ্রিল: তপন কান্দু খুনে প্রত্যক্ষদর্শীদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নিমাণ করল সিবিআই। আজ সকালে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের নিয়ে যাওয়া হয়। ঝালদা বাঘমুন্ডি রোডে গোকুলনগর গ্রামের কাছে এটি হয়। এখানেই ১৩ মার্চ কংগ্রেস কাউন্সিলর সান্ধ্য ভ্রমণে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান। তপনকে কীভাবে খুন করা হয়, দুষ্কৃতীরা কীভাবে এসেছিল এবং গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী পরিস্থতিতে কে কী করছিলেন তার পুনর্নিমাণ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী প্রদীপ চৌরাসিয়া, যাদব রজক, সুভাষ গরাই এবং সুভাষ কর্মকার আজ সেখানে ছিলেন। নিরঞ্জন বৈষ্ণব মারা যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে একজন স্থানীয়কে নিয়ে ছবি তোলা ও ভিডিওগ্রাফি করে সিবিআই। দুই জন শুটার ও একজন চালকের অভিনয় করেন স্থানীয় তিন যুবক। একইভাবে নিহত তপন কান্দু ও নিরঞ্জন বৈষ্ণবের অভিনয় করেন স্থানীয় দুই যুবক। এঁদের নিয়ে কীভাবে মোটরসাইকেল এল, কতো দূরে দাঁড়ালো, কীভাবে গুলি চলল এবং কে কোথায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এর সবটাই পুনর্নিমাণ করা হয় প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে। চলে মাপজোক ও ফটোগ্রাফি।

ঘটনার দিন তপন কান্দুকে তিনটি গুলি ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী প্রদীপ চৌরাসিয়ার পায়ের কাছে গুলি চালালেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। গুলির খোল খুঁজতে আজ মরিয়া চেষ্টা চালায় সিবিআই। ঘটনার দিন তিনটি গুলি চলে একটি খোল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার হলেও এখনও দুটি খোল উদ্ধার হয়নি। তা খুঁজতে নামানো হয় অত্যাধুনিক যন্ত্র ও মেটালডিটেক্টর। তা দিয়ে এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে মাটি পরীক্ষা করে খোল উদ্ধারের কাজ করেন সিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞরা। যদিও শেষ পর্যন্ত কিছুই পায়নি সিবিআই। পরে অস্থায়ী শিবিরে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *