রাজেন রায়, কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর: বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তালা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল। এমন অভিযোগে বিশ্বভারতীর তিন ছাত্র ছাত্রীকে বহিষ্কার করেছিলেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই নিয়ে অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীরা প্রতিবাদ আন্দোলনে নামলে প্রথমে সাসপেন্ডের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং পরে তিনজনকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন উপাচার্য। একইসঙ্গে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল গেটে ছাত্র ছাত্রীদের বিক্ষোভ নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উপাচার্য।
কিন্তু সেই মামলায় এবারে উপাচার্যের বিরুদ্ধেই মন্তব্য হাইকোর্টের। সামান্য একটা ঘটনায় তিন বছরের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীরা তরুণ তুর্কি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত। উপাচার্য কখনো এতটা কঠোর হতে পারেন না। বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন বিচারপতি রাজ শেখর মান্থা। তিনি জানিয়েছেন, এবার ক্লাস করতে পারবে পড়ুয়ারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে বা বাইরে কোনও ধরনের আন্দোলন করা চলবে না বলে আজ জানিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এখনই আন্দোলন তুলে নেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি পড়ুয়ারা। তাঁদের বক্তব্য, পঠন-পাঠনে ফিরে যাওয়া সহ তাঁদের সব দাবি এখনও মেনে নেওয়া হয়নি। তাই আন্দোলন তোলা হবে কি না, সে ব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৭ অগস্ট বিশ্বভারতীতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে তিন ছাত্রকে বরখাস্ত করার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেন ছাত্র ছাত্রীদের একাংশ। সেই ইস্যুই গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আজ সেই মামলার শুনানিতে আন্দোলন তুলে নেওয়ার কথা বলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। দু’সপ্তাহের জন্য মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

