আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৪ আগস্ট: নিয়ম না মেনে এক বছরে তিন তিনবার এক শিক্ষিকাকে বদলি করার অভিযোগের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চ। ওই শিক্ষিকাকে পুরনো স্কুলে কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেন বিচারপতি। নির্দেশ না মানলে ব্রেক অব সার্ভিস করা হবে বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
২০১৬ সালে শিলিগুড়ির চম্পাসারির শ্রীগুরু বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হিসেবে কাজে যোগ দেন শান্তা মন্ডল। ২০১৯ সালে তিনি প্রধান শিক্ষিকার পদের জন্য পরীক্ষা দেন। তাকে বীরপাড়া গার্লস স্কুলে বদলি করা হয়। তিনি এক বছরের মধ্যে অমিয় পাল চৌধুরী স্কুলে আবার বদলি হন। কিন্তু তিনি সেখানে চাকরিতে যোগ দেননি। তিনি আবার দরখাস্ত করেন যেখানে তিনি আগে সহ শিক্ষিকা হিসেবে ছিলেন। সেখানেই প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরে যোগ দিতে যান। স্কুল সার্ভিস কমিশন উনাকে নিয়োগ করেন বলে তাঁর দাবি। উনি জয়েন করার চেষ্টা করেন। এরপরেই ঐ স্কুলের শিক্ষক প্রসূন সুন্দর তরফদার কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ করেন। বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গলি স্থগিতাদেশ দেন। এরপর কলকাতা হাইকোর্টে শান্তা মণ্ডল আবেদন করলে। হাইকোর্ট তাকে শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরে যোগ দিতে বলেন সহ শিক্ষক হিসেবে।
যেহেতু একটা অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ, পাঁচ বছরের আগে কাউকে এই ভাবে স্থানান্তরিত করা যায় না। তাঁকে তিনবার বদলি করা হয়েছে। তাই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশে দিয়েছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন শান্তা মণ্ডলকে বীরপাড়া গার্লস স্কুলে যোগ দিতে হবে। যদি তিনি কাজে যোগ না দেন তাহলে তার ব্রেক অব সার্ভিস হবে বলে জানান প্রসূন সুন্দর তরফদারের আইনজীবী একরামূল বারি।

