স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ৯ জানুয়ারি: ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে আত্মঘাতী হলেন এক লটারি বিক্রেতা৷ রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জের অশোকপল্লী এলাকায়। জানাগিয়েছে, ওই লটারি বিক্রেতার নাম সুব্রত দাস(৫২)৷ স্থানীয় আশা টকিজ মোড়ে টেবিল পেতে লটারি বিক্রি করতেন তিনি৷ কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। রবিবার সকালেও তিনি দোকানে যান। এরপর বাড়ি এসে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মঘাতী হন।

পরিবার সূত্রে খবর, করোনা অতিমারির জেরে লকডাউনে দীর্ঘদিন ব্যবসা বন্ধ ছিল। তার ওপর আর্থিক অনটন চলছিল। তার জেরেই এমন অমানবিক ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান।

মৃতের স্ত্রী পূর্ণিমা সরকার বলেন, প্রায় ১৮ বছর ধরে লটারি বিক্রি করতেন তার স্বামী। লকডাউনে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ঋণ পুরোপুরি শোধ করতে পারেননি৷ আর্থিক ক্ষতির মুখেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন স্বামী।

অন্যদিকে একই বক্তব্য তার মেয়ে সুপর্ণা দাসেরও। তিনি বলেন, শনিবার রাতে দোকান থেকে এলে বাবাকে মনমরা দেখতে পাই। জিজ্ঞেস করলে কিছুই জানায়নি। লকডাউনে চারিদিকে ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে বলে বাবাকে বুঝিয়েছি৷ তারপরেও বাবা এমন সিদ্ধান্ত নেবে ভাবতে পারছি না।”

