সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাকুঁড়া, ২৫ জানুয়ারি: সরকারিভাবে পুরনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি না হলেও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। এদিকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ না হলেও দেওয়াল লিখনে তৃণমূল কংগ্রেস কিছুটা এগিয়ে।

এদিকে আজ নিজের ১৬ নং ওয়ার্ডে দেওয়াল লিখন, জনসংযোগের মাধ্যমে প্রচার শুরু করে দিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা বাকুঁড়া পৌরসভার কাউন্সিলর নিলাদ্রী দানা।নিজে হাতে দলীয় প্রতীক একেঁ তিনি যেমন প্রচারের সূচনা করলেন অপরদিকে তার দলবদল নিয়ে গুজবের ও জবাব দিলেন। বেশ কিছু দিন ধরেই দলীয় নেতৃত্বের সাথে তার মনোমালিন্যের খবর প্রকাশ্যে এসে পড়ে।রাজ্য সভাপতি ও জেলাসভাপতি মনোনয়নে তা চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। বেশ কয়েকজন বিধায়কের সাথে নীলাদ্রি বাবুও দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেড়িয়ে যান। এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সেই সময় বেশ কয়েকজন বিধায়কের সাথে নিলাদ্রী বাবুর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান নিয়ে গুজব ছড়ায়। আজ দেওয়াল লিখনে তিনি যে তার অবস্হান স্পষ্ট করে দিলেন তা বলাই বাহুল্য।

বিগত নির্বাচনে বাকুঁড়া পুরসভায় ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্য বিজেপি দুটি আসন দখল করতে সক্ষম হয়।১৬নং ওয়ার্ডে নিলাদ্রী বাবুও ২৩ নং ওয়ার্ডে লক্ষ্মী মাল জয়ী হন।আসন্ন পুর নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূলকে কতটা টক্করদিতে পারবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরমহলের দ্বন্দ্ব আর চাপা নেই। দলীয় কর্মীদের মধ্যেও যেন হতাশার ছাপ। এই পরিস্থিতিতে নিলাদ্রীবাবু তার সহকর্মীদের নিয়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন। গত বারের জেতা তার আসন ধরে রাখতে তিনি মরিয়া। আজ সকালে স্হানীয় মন্দিরে পুজো করে কানকাটা এলাকায় নিজে হাতে দেওয়াল লিখতে শুরু করেন। একই সাথে তিনি এলাকায় বাড়ি বাড়ি দেখা করে তাদের আশীর্ব্বাদ প্রার্থনা করেন। এলাকার বাসিন্দারাও তাকে আশীর্বাদ করেন এমন দৃশ্য ধরা পড়ে।
এপ্রসঙ্গে নিলাদ্রী বাবু বলেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আমি জনগণের আশীর্বাদ নিয়ে কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করে এসেছি।বাকুঁড়া সদর কেন্দ্রের নাগরিকরা আমাকে বিধায়কেরও দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। তাদের সেবা আমি চালিয়ে যাব। স্বচ্ছ পৌরসভা পরিচালনার জন্য এলাকাবাসী আমাকে ও আমার দলকে নির্বাচিত করবেন সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

