সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, বনগাঁ, ২৪ মে:
অবৈধ বাড়ি নির্মাণ ও পুকুর ভরাটের অভিযোগে সরব হলো বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কামারহাটি এলাকায় পরিদর্শনে যান বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, পুকুর ও পদ্মানদী ভরাট করে বেআইনিভাবে নির্মাণ কাজ করেছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় নামে এক ব্যক্তি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে চক্ষু চড়কে ওঠে বিধায়কের। অভিযোগ পদ্মানদী ভরাট করে নির্মাণ করছেন।
পরিদর্শনের সময় দেবদাস মণ্ডল অবৈধ নির্মাণ ভেঙ্গে ফেলার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ জানান। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাত দিনের মধ্যে যদি স্বেচ্ছায় নির্মাণ ভাঙ্গা না হয়, তাহলে পৌরসভার ব্যবস্থা নিয়ে তা ভেঙ্গে দেবে। বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, তৃণমূলের কিছু নেতা দালালদের মাধ্যমে টাকা খেয়ে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার এই ধরনের বেআইনি কাজ কোনওভাবেই মেনে নেবে না। কোথাও অভিযোগ পেলে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তৃণমূল নেতা সঞ্জয় তাঁর বাড়ির পেছনে পদ্মানদী ভরাট করে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন। তাকেও অবিলম্বে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন বিধায়ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিজেপি বিধায়কের প্রশংসার ঝড় দেখা যায়। স্থানীয় বসিন্দারদের অভিযোগ, রাস্তার নিচ দিয়ে একটি কালবার্ট ছিল, বর্ষার জল ওই কালভার্ট দিয়ে পাশ হতো। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে ওই তৃণমূল নেতা বন্ধ করে নির্মাণ করেছে। এর ফলে একটু বর্ষা হলেই এলাকায় জল জমে থাকে।
বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতেই এই সব অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গত ১০ বছর ধরে এই এলাকার মানুষদের ঠকিয়ে এসেছে। কিছু দুষ্কৃতি তৈরি করে রাজত্ব চালাচ্ছিলেন। এবার এসব বন্ধ। সেই সব দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, এখন রাজ্যে আইনের শাসন চলছে, শাসনের আইন ভুলে যান। অবৈধ নির্মাণ প্রমাণ হলেই চলবে বুলডোজার।

