আমাদের ভারত, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ৩১ মার্চ: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দন মন্ডল প্রচারে যথেষ্ট সারা ফেলে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রান্তে কখনও পায়ে হেঁটে, কখনও টোটোয় চেপে ভোটের প্রচার সারছেন তিনি। বুধবার প্রায় ২৫টি টোটোয় করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ভোটের প্রচার সারেন বৃন্দাখালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। প্রচারে এলাকার মানুষের ভালই সাড়া পাচ্ছেন বলে দাবি এই বিজেপি প্রার্থীর।
এদিন সকাল থেকেই টোটোয় চেপে ভোটের প্রচার শুরু করেন চন্দন। দমদম এলাকা থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে ভোট প্রচারে নামেন এই বিজেপি প্রার্থী। কখনো টোটোয় তো কখনো পায়ে হেঁটে মানুষের কাছে পৌঁছে যান চন্দন। বয়স্ক মানুষের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে ভোট ভিক্ষা চান। এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা জানার চেষ্টা করেন। যদি তিনি ভোটে জেতেন তাহলে এলাকার উন্নয়ন করবেন বলেও আশ্বাস দেন এই বিজেপি প্রার্থী।

এই কেন্দ্রে তাঁর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের বিভাস সর্দার। বিগত দুটি বিধানসভায় এই আসন তৃণমূল জিতলেও সেসবে পাত্তা দিতে চান না চন্দন। তিনি বলেন, “ মানুষের ভালোবাসা আমার সাথে আছে। আমার জয় নিশ্চিত। এই কেন্দ্র থেকে অন্তত ৫০ হাজার ভোটে আমি জয়লাভ করবো।” প্রচণ্ড গরমে প্রচারে কষ্ট হলেও কোনওভাবে তাতে পিছপা হতে চান না এই প্রার্থী।
তবে এদিনও তিনি অভিযোগ করেন, এই বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের কর্মীদের উপর হামলা করছে। বেধড়ক মারধর করছে। এদিন যখন তারা প্রচার করছিলেন তখন সেই প্রচারও হামলা চালানো হয়েছে। বোমা ও গুলি ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন চন্দনবাবু। কিন্তু সেসবে পাত্তা না দিয়ে ভোটের লড়াইয়ে এক চিলতে জমি ছাড়তে রাজি নন তিনি।
অন্যদিকে এই হামলার কথা অস্বীকার করেছেন বারুইপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “ এই কেন্দ্রে তৃণমূলই আবার জিতবে। ওরা যে হামলার কথা বলছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নিজেদের হার নিশ্চিত জেনে এই সব নাটক করছে। আর উল্টে আমাদের কর্মীদের মারধর করছে।”


