বীরভূমে ভারতী ঘোষের রোড শো’তে হামলা, বাঁশ, লোহার রড দিয়ে মারধর, আশঙ্কাজনক এক

আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ১৯ এপ্রিল: ভারতী ঘোষের গাড়ি আটকে গো ব্যাক শ্লোগান উঠল বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের মাড়গ্রামে। পুলিশের সামনেই বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবাদে মাড়গ্রামের ধুলফেলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন ভারতী ঘোষ।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন মাড়গ্রামে হাঁসন কেন্দ্রের প্রার্থী নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন দলের রাজ্য সহ সভানেত্রী ভারতী ঘোষ। হাতিবাঁধা মোড় থেকে রোড শো শুরু হয়। ধুলফেলা মোড়ে রোড শো শেষ করার কথা ছিল। সন্ধ্যার দিকে সেখানে রোড শো পৌঁছলে স্থানীয় তৃণমূল কার্যালয় থেকে কিছু লোকজন বেরিয়ে ভারতী ঘোষের পথ আটকায়। প্রথমে কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি গো ব্যাক শ্লোগান দেয়। এরপরেই বাঁশ, লাঠি, লোহার রড দিয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ শুরু হয়। যাদের কাছে বিজেপির পতাকা পাওয়া গিয়েছে তাদেরই ধরে ধরে মারধর করা হয়েছে। মারধরে একাধিক বিজেপি কর্মী সমর্থক আক্রান্ত হয়েছেন।

ঘটনার পরেই গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় বসেন ভারতী ঘোষ এবং নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতী ঘোষের অভিযোগ, মাড়গ্রাম থানার ওসির মদতে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের সামনেই কিছু লুঙ্গি পড়া লোক আক্রমণ করল। পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের লোকজন আক্রমণ করেছে। কিন্তু পুলিশ ছিল নির্বাক দর্শকের মতো। ভারতী ঘোষ বলেন, “মাড়গ্রাম থানার ওসি প্রদীপ ঘোষের মদতে আমাদের উপর আক্রমণ হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পেরে ওসি আমাদের দোষারোপ করছে। আমাদের ট্যাবলো গাড়ির চালককে হুমকি দিচ্ছে। আমার বিশ্বাস ওসি নিজে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছে। বিষয়টি আমি পুলিশ সুপারকে জানিয়েছি। কমিশনেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করব। সকলে গ্রেফতার করতে হবে। এভাবে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা যাবে না।” ঘটনার পর রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সায়ন আহমেদ গিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *