আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ১৪ ফেব্রুয়ারি: বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়ে ঘোষণা করেছিলেন আর প্রার্থী হবেন না। তবুও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কথায় ৬নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। ৮মাস আগে বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন। এবার পুরনির্বাচনেও হার মানলেন অখ্যাত তৃণমূল নেতা মহম্মদ আলম খানের কাছে। হারলেন ৪৮২ ভোটে। নির্বাচনের দিন সারাক্ষণ নিজের ওয়ার্ডের বসে বুথে নজরদারি করলেও জয় পেলেন না। স্বভাবতই হারের পর হতাশা গ্রাস করে তাঁকে। তিনি বলেন, “এটা বিপর্যয়। হারতে মেনে নিতেই হবে। তবে বাকিটা আলোচনা করা হবে দলে।”
এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শংকর ঘোষ। তিনি বিপুল ব্যবধানে জয় পান ওই নির্বাচনে। তারপরেই তিনি ২৪নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়ে পুরনির্বাচনেও অংশ নেন। এই ওয়ার্ড থেকে গতবছর বামেদের টিকিটে জিতেওছিলেন। কিন্তু এবার আর হলো না। তিনিও হার মানলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা প্রতুল চক্রবর্তীর কাছে। শুধু তাই নয় তাঁর স্থান তিন নম্বরে অর্থাৎ তিনি নির্দল প্রার্থী বিকাশ সরকারের কাছেও হারেন। মাথা নীচু করে বেরিয়ে এসে বলেন, “আমি ব্যর্থ মানুষের দাবি পূরণ করতে। আমি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারিনি। তাই এই হার হয়েছে আর তা মেনে নিতেই হবে।”
আবার একইভাবে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তৃণমূল ছেড়ে সস্ত্রীক বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন নান্টু পাল। তিনিও ১২নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হন। বিভিন্ন দল বদল করেও তিনি বারবার জিতেছেন। এই ওয়ার্ড থেকে গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন। কিন্তু এবার আর পারলেন না নান্টু। হার মানলেন তিনি তৃণমূলের বাসুদেব ঘোষের কাছে ২৬৫ ভোটে। মেনে নিতে পারেননি তিনি এই হার। তাই বাইরে বেরিয়ে এসে বলেন, “আমার মনে হয় ইভিএমে কিছু কারচুপি করা হয়েছে। ওরা আমাকে জোর করে হারিয়ে দিল।” কিন্তু তার স্ত্রী ১১নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেছেন।

