Ashis, Banerjee, “আশিসবাবুর মৃ*ত্যু প্রাতিষ্ঠানিক খুন”

আমাদের ভারত, বীরভূম, ১৬ আগস্ট: “আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু প্রাতিষ্ঠানিক খুন,” এমনটাই দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে তিনি পুলিশকে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিন বিকেলে কলকাতা থেকে রামপুরহাটে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আশিসবাবুর ছেলের সঙ্গে কথা বলেন। পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঋতব্রতর সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী, রিজু দত্ত, আক্রুজ্জামান, নরেন চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল। আশিসবাবুর মৃতদেহ সামনে থেকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন শতাব্দী রায়।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সংগঠিত লুঠ করেছে কলকাতার একটি অফিস। সেখান থেকেই সমস্ত টেন্ডার হত। হঠাৎ হঠাৎ করে আকাউন্টে সাড়ে তিনশো কোটি টাকা ঢুকে যেত। মনে রাখবেন সরকার না চাইলে দুর্নীতি হতে পারে না। দলের টাকায় চার্টড প্লেনে ঘুরত। আর চোর চোর শ্লোগান শুনতে হত আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো ভালো মানুষদের। আমি ফিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাব।”

আশিসবাবুর ছেলে শতদল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বাবা উনাকে স্নেহ করতেন। মুখ্যমন্ত্রীও বাবাকে শ্রদ্ধা করতেন। ফলে যা বলার আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলব। তবে রাজনীতিতে আসব কিনা সেটা ভবিষ্যৎ বলবে।”

এদিন বিকেলে ময়নাতদন্তের পর আশিসবাবুর মৃতদেহ বাড়িতে শায়িত রাখা হয়। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানান আত্মীয়, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংসদ ও বিধায়করা। এরপর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ি সংলগ্ন তরুণের আহ্বান মন্দিরে। সেখান থেকে উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, রামপুরহাট কলেজ হয়ে সানঘটা মুখাগ্নিতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ ভুন্দেস বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমরা তদন্ত করব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *