সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১২ আগস্ট: অনুব্রত মন্ডল গ্ৰেপ্তার হতেই সারা রাজ্য জুড়ে যেন আনন্দের বন্যা বইছে, বিশেষ করে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে। এই ঘটনার পরই ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি নেতা কর্মীরা।
আজ সকালে বিজেপির যুব সভাপতি তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এক অভিনব কায়দায় অনুব্রত আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্ৰেপ্তারে মিছিল করলেন বড়জোড়ায়। অনুব্রতর গুড় বাতাসা খাওয়ার নিদান, আর বিরোধীদের তামাশা করে চড়াম চড়াম ঢাকের বাদ্যির কথার জবাব দিতে নিজেই ঢাকে কাঠি লাগান। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে গুড় বাতাসাও বিলি করেন।মিছিলের পুরোভাগে অনুব্রত ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অনুকরণে সাজানো দুই ব্যক্তিকে কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনব মিছিল দেখতে বহু মানুষ রাস্তায় বের হন।

বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, পাপ করলে প্রায়শ্চিত্ত করতেই হবে। এই অনুব্রত মন্ডল বহু মায়ের চোখের জল ফেলিয়েছেন। মানুষের উপর অত্যাচার করেছেন।এখন দেখুন তারই এলাকার লোক তার বিরুদ্ধে “চোর চোর”শ্লোগান দিচ্ছে। তিনি বলেন, এক সময় বিরোধী রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের সম্মান জানানো হত এখন তা নেই। কিছু পদস্থ পুলিশ অফিসারের জন্য এই অবস্থা।
তিনি কয়লা পাচার, গরু পাচার প্রসঙ্গে বলেন, এই ঘটনায় মূল কালপ্রিট জ্ঞানবন্ত সিং। কিভাবে পাচার করতে হয় তা তিনি পরিচালনা করতেন।আমাদের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মুড়ির টিনে করে টাকা পাচার করা হত। তিনি ছাত্র যুবদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলার ছেলেদের জীবন নষ্ট করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, না দিতে পেরেছে চাকরি, না কাজ।ওদের সঙ্গ ত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি।

বাঁকুড়া শহরেও আজ একদল বিজেপি কর্মী দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সমস্ত নেতা মন্ত্রীদের গ্ৰেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলে নূতনগঞ্জ থেকে বড় বাজার পরিক্রমাকালীন রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের তারা বাতাসা বিলি করেন।

