Annapurna Yojana, CM, “২৮ লক্ষের বেশি অ্যাকাউন্টে ঢুকলো অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা” জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রাপকদের তালিকায় শীর্ষে নদীয়া

আমাদের ভারত, ৩ জুন: ভোটের আগে যে বড় প্রতিশ্রুতি গুলি দিয়েছিল বিজেপি সরকার, তার মধ্যে অন্যতম ছিল অন্নপূর্ণা ভান্ডার যোজনা। সেটাই আজ বাস্তবায়ণ করে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বুধবার রাজ্যে মোট ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জন উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা ভিত্তিক উপভোক্তাদের একটি বিস্তারিত তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ উপভোক্তার তালিকায় জেলা ভিত্তিক পারফরমেন্সে বড় চমক লক্ষ্য করা গিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা প্রাপকদের নিরিখে গোটা রাজ্যের মধ্যে সবথেকে এগিয়ে নদীয়া জেলা। এই জেলায় উপভোক্তার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯৫৫। নদীয়ার ঠিক পরের দ্বিতীয় তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। অন্যদিকে তালিকায় একেবারে নিচে পাহাড়ের জেলা কালিম্পং। সেখানে সুবিধা প্রাপকের সংখ্যা দশ হাজারেরও কম। মেট্রো শহর কলকাতাও এই তালিকায় বেশ পিছনের সারিতে রয়েছে।

বারো পাতার ফর্ম প্রকাশ হওয়ার পরেই বিতর্ক শুরু হয়েছিল এই যোজনার নিয়ে। কিসের জন্য এত তথ্য দিতে হবে? এসব প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বিষয়টি নিয়ে। তবে আগেই এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্ন থেকে এই বিষয়ে আরো একবার স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রথমে মনে হয়েছিল কোনো ফর্ম লাগবে না, কিন্তু যাচাই করে দেখা যায় এস আই আর- এর পর যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে তারাও পূর্ববর্তী সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে শুরু করে নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন। হাজার হাজার অবৈধ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছিল, তাই ফর্ম আনা হয়েছে।

অগ্নিমিত্রা পাল জানান, বারো পাতার ফর্ম ফিলাপ না করতে পারলে যে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না তা নয়। আগামী দিনে সরকার এরকম আরো প্রকল্প নিয়ে আসছে, সেজন্য এই তথ্য দরকার।তিনি বলেন, এই ফর্ম আনার আরও একটি কারণ, যারা অবৈধভাবে দেশে ঢুকেছেন তারা এই অন্নপূর্ণা যোজনা পাবেন না। ভারতীয় নাগরিকত্ব যাদের নেই তারা পাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *