পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৪ জুলাই: ২১ জুলাইয়ের আগে ধর্মতলায় টানা ৬০ দিনের জন্য জমায়েত নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল। একই সময়ে এনসিপিআই- এর লোকসভায় দলনেতা হিসেবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্য সচেতক হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং উপ- দলনেতা হিসেবে শতাব্দী রায়ের নাম চূড়ান্ত হওয়াকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
এই আবহে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন সবং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক অমল পণ্ডা। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে বিজেপির কোনও কর্মসূচির অনুমতি তৎকালীন প্রশাসন সহজে দিত না। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, বিশেষ করে পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি পেতেও বিজেপিকে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল।
২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি প্রসঙ্গে অমল পণ্ডা বলেন, তাঁর মতে এই কর্মসূচি মূলত কংগ্রেসের ছিল, যা পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন।
অন্যদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অমল পণ্ডা সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, “মানস ভুঁইঞা দীর্ঘ দিনের বিধায়ক এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন। তিনি কোথায়, কখন কী করেছেন, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাঁর বিরুদ্ধে কারা, কোন অভিযোগে মামলা করেছেন, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন।”
এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকেও কটাক্ষ করেন সবংয়ের বিজেপি বিধায়ক। তিনি বলেন, “ওঁদের এখন যাওয়ার আর কোথাও নেই, তাই অন্য জায়গায় যেতে হচ্ছে। এক সময় কাকলি ঘোষ দস্তিদার আমাদের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে অপমান করেছিলেন। আজ তাঁদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে।”
অমল পণ্ডার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

