গৃহবধূর চুল কেটে মারধরের অভিযোগ দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে, নির্যাতিতা মহিলা দ্বারস্থ হলেন জেলাশাসক ও বীরভূম পুলিশ সুপারের

আশিস মণ্ডল, সিউড়ি, ১০ সেপ্টেম্বর: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক গৃহবধূর চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে। পুলিশ এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেফতার করলেও বাকিরা এখনও অধরা। ঘটনার ন্যায্য বিচারের দাবিতে বীরভূমের জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন ওই নির্যাতিতা মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি শহরের সিংহবাহিনী রাস্তায়।

নির্যাতিতা মহিলার বাপের বাড়ি নলহাটি শহরে। বিয়ে হয়েছে মুরারইয়ে। বৃহস্পতিবার নলহাটিতে বাপের বাড়ি আসেন ওই মহিলা। এরপরেই নির্যাতিতা লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফর্ম ফিলআপ করতে যান। তাঁর অভিযোগ, বাড়ি ফেরার সময় তাকে কয়েকজন অনুসরণ করতে শুরু করে। তারপর একটি বাড়িতে গেলে সেখানে দুজন মহিলা ও দুজন পুরুষ তাকে ধরে টানাহেঁচড়া শুরু করে। তার উপর শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি তার চুল কেটে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই নির্যাতিতা নলহাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সাইরা বিবি নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু মূল অভিযুক্তদের এখন ধরা হচ্ছে না এই অভিযোগে শুক্রবার ওই মহিলা বীরভূম জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন।

নির্যাতিতার দাবি, তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা ছিল। দুষ্কৃতীরা তা কেড়ে নিয়েছে। সেই সঙ্গে মোবাইল এবং সোনার চেন কেড়ে নিয়েছে। এমনকি তাকে প্রাণে মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের দাবি, টাকা পয়সার লেনদেন নিয়ে পুরনো আক্রোশের বশে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে মহিলার উপর নির্যাতন এবং চুল কেটে নেওয়া অমানবিক হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি বলেন, “এখনও পর্যন্ত এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও ধরা হবে’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *