সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৫ জানুয়ারি: ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে পারলেন না বনগাঁ বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রামপদ দাস। যদিও বারাসত জেলা সাংগঠনিক সভাপতির সঙ্গে শান্তনুবাবুর সৌজন্য সাক্ষাৎকার হয় বলে জানান বারাসত বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তাপস মিত্র।
সাম্প্রতিক রাজ্য বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ত্যাগ করার পরে শান্তনু ঠাকুরকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছে বিজেপি। বিজেপির এক অংশ মনে করছেন বিজেপি ছাড়তে পারেন শান্তনু ঠাকুর। এই নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘনিষ্ঠদের নিয়ে শান্তনু ঠাকুরের বাসভবনে চার বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন শান্তনু ঠাকুর। বৈঠকের পরে রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছিলেন, দল ছাড়ার তো কোনও কথাই আসে না। তাঁদের বেশ কয়েকটা দাবির মধ্যে, প্রথম দাবি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পরিবর্তন। নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতিকে পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া নবদ্বীপ জোনের অবজার্ভার পরিবর্তন, সঙ্গে রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি পদে নিয়োগ করতে হবে মতুয়া সম্প্রদায় ভুক্ত একজনকে। এমনকি রাজ্য বিজেপির এসসি মোর্চার বিভিন্ন পদে শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলোচনা করে করতে হবে। এই দাবিগুলো শান্তনু ঠাকুর রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বকে জানাবে।

তারপরের বুধবার দুপুরে শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেন বারাসত বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তাপস মিত্র। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষা করেও বনগাঁ জেলা বিজেপির সভাপতি রামপদ দাসের সঙ্গে দেখা হল না শান্তনু ঠাকুরের। এদিন ঠাকুর বাড়িতে এসে মন্দিরে প্রণাম করে শান্তনু ঠাকুরের বাড়ির সামনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরে না দেখা করে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। যদিও বনগাঁ বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রামপদ দাস জানিয়েছেন, তিনি শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি ভার্চুয়াল পরীক্ষাতে ব্যস্ত থাকার কারণে তাঁর সঙ্গে দেখা হল না। পরবর্তীতে সময় নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এই বিষয়ে শান্তনু ঠাকুরের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

