ছবি: সাঁইথিয়া থানায় সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ।
আমাদের ভারত, ২৪ মার্চ: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পৌঁছায় বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন বালুরঘাটের সংসদ সুকান্ত মজুমদার, ভারতী ঘোষ, সত্যপাল সিং, কে সি রামমূর্তি, ব্রজলাল। গ্রামে পৌঁছতে প্রতিনিধিদলকে নানা জায়গায় আটকে পড়তে হয়। পরিকল্পনা করেই তাদের আটকানো চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
বৃহস্পতিবার সকাল ন’টা নাগাদ কলকাতা থেকে রওনা দেয় বিজেপির পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে। ওই পাঁচজন গ্রামে যান, তবে গ্রামে যাওয়ার পথে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে এদিন বিভিন্ন জায়গায় যানজটের অজুহাতে আটকানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর সাঁইথিয়ায় যখন আটকানো হয় সেখানে থানায় ঢুকে বিক্ষোভ দেখান সুকান্ত মজুমদাররা। সাঁইথিয়ার রাস্তায় খারাপ লরি দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ ওঠে। ফলে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, লরির যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে পরিকল্পনা করে তাদের যেতে বাধা দেওয়া হয়।
তবে বাধা পেরিয়ে সময়ে বহুক্ষণ পরে হলেও সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি প্রতিনিধিরা গ্রামে যান এবং স্বজনহারাদের সঙ্গে কথা বলেন। এখান থেকে গৃহীত রিপোর্ট তারা কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের কাছে জমা দেবেন।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে রাজ্য জুড়ে বেআইনী অস্ত্র উদ্ধারে তল্লাশির নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর অর্থ রাজ্যে অস্ত্র লুকানো রয়েছে। তাহলে দশ বছর ধরে তিনি কি করছেন?

