সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১০ জানুয়ারি: কলেজের অধ্যক্ষ সহ একাধিক কর্মীকে মারধর করে কোপানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠল হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আটক করা হয় অভিযুক্ত হিসাব রক্ষক রণপতি রায়কে। সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে।
রণপতির বিরুদ্ধে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁর গোপালনগর ন’হাটা কলেজের অধ্যক্ষকে মারধর করে কোপানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অধ্যক্ষকে বাঁচাতে গিয়ে কয়েকজন অধ্যাপক ও শিক্ষা কর্মী জখম হয়েছেন। বনগাঁ হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা করা হয়। ন’হাটা কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি বিধিনিষেধের কারণে সকলে কলেজে আসছেন না। ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে মহাবিদ্যালয়ের অফিস নিয়মিত চলছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ কলেজের অধ্যক্ষ অর্ণব ঘোষের ঘরে আসে রণপতি। ঘরের দরজা আটকে অধ্যক্ষকে মারধর করতে থাকে৷ চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ পেয়ে অন্য কর্মীরা দরজা ভেঙ্গে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করেন।

কলেজের এক শিক্ষক তপন মণ্ডল ও প্রদীপ সরকার বলেন, অধ্যক্ষের চিৎকার শুনে দরজা ভেঙ্গে ঘরে গিয়ে দেখেন, রণপতি তাঁকে মারধর করছে ৷ তাকে ঠেকাতে গেলে রণপতি দা নিয়ে শিক্ষকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরপর ধস্তাধস্তিতে রণপতির হাত থেকে দা কেড়ে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। মারধর করার কথা স্বীকার করলেও তিনি কোপাতে যাননি বলে জানান অভিযুক্ত হিসাবরক্ষক রণপতি রায়।

