হারিয়ে যাওয়া তিল ও নারকেলের নাড়ু, চিড়ে ও মুড়ির মোয়া ফেরি করে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন শান্তিপুরের ষাটোর্ধ্ব মন্টু বিশ্বাস

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া ৪ ফেব্রুয়ারি: একসময় তাঁতের উপর নির্ভর করে স্ত্রী সহ তিন ছেলে দুই মেয়ের মুখে অন্ন যোগানো এবং পড়াশোনা শিখিয়েছেন শান্তিপুর এক নম্বর কলোনির বাসিন্দা মন্টু বিশ্বাস। মেয়েদের বিবাহ এবং ছেলেদের স্বনির্ভর হওয়ার পর আবারও তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন। তার মতন এখন তাঁত শিল্পও বেহাল। সকলেই ভুলেছে অতীত। তবে তাতে এতটুকু ভেঙে পড়েননি তিনি।

বর্তমান ব্যস্ত সমাজে সাবেকি রীতিনীতি হারিয়েছে, আর তারই পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে নতুন জীবন পেয়েছে তিনি। মুড়ি, চিড়ে, তিল, খই দিয়ে তার স্ত্রী বানান মোয়া, নাড়ু। আর মন্টু বাবু সারাদিন মাথায় করে ঘুরে অনায়াসে বিক্রি করে ফেলেন সেগুলো। ক্লান্তিহীন মন্টু বাবুর দাঁড়ানোর সময় নেই। যোগাযোগের কোনো নাম্বারই নেই, তাই হয়তো অধীর আগ্রহে পথের পাশে অনেকেই প্রতীক্ষায় থাকেন তার নাড়ু মোয়া কেনার জন্য। আকার আকৃতি উপাদান যাইহোক দাম একটাই ৫ টাকা। ভুবন বাদ‍্যকরের মতন তার সুরেলা কণ্ঠ নয়, গাইতে পারেন না গানও। তবে এই বয়সে অদম্য তার ইচ্ছাশক্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *