আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৯ এপ্রিল: গত ৮ মাস আগে দেগঙ্গা থেকে কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালুরুতে কাজ করতে গিয়েছিল কয়েকজন যুবক। কাজে গিয়ে প্রাণ হারালেন ৫ জন যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন মহম্মদ সামিউল ইসলাম(১৭), মিরাজুল ইসলাম(১৯), নিজামুদ্দিন সাহজি(১৯), মহম্মদ ওমর ফারুক(২৯)ও সারাফাত আলি(২৮)। ম্যানহোল পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে দাবি করা হয়েছে। গুরুতর জখম আরও ৪ জন। এদের মধ্যে ২ জন দেগঙ্গা এবং ১-জন শাসনের বাসিন্দা। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিবার রাতে পরিবারের কাছে এই খবর এসে পৌঁছায়। প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই মৃতদেহ দেগঙ্গায় ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।রবিবার রাতে এই পাঁচ যুবকের পরিবারের কাছে তাঁদের মৃত্যুর খবর আসে। তাদের জানানো হয়, ম্যানহোল পরিষ্কার করতে নেমেছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। সেখানেই বিষাক্ত গ্যাসে দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারান ওই পাঁচ শ্রমিক। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও চারজন। গুরুতর অবস্থায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মর্মান্তিক এই খবর দেগঙ্গায় পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের পরিবার। এতবড় ঘটনা কিভাবে ঘটল, তা বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়রা। গত সোমবার মৃত শ্রমিকদের বাড়ি যান স্থানীয় জেলাপরিষদের সদস্য তথা বন এবং ভূমি কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ। পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাসও দেন তিনি। তারপরই আজ মঙ্গলবার বারাসাত জেলা শাসকের দপ্তরে বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মৃত পরিবারের হাতে দু’লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

